করোনাভাইরাসের মহামারিতে একের পর এক এলাকা লকডাউন করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত রাজধানীর মোট ৫২টি এলাকা লকডাউন করেছে প্রশাসন। এসব এলাকার কেউ এখন বাইরে বের হতে পারবেন না বা বাইরে থেকে কেউ সেখানে ঢুকতেও পারবেন না।
গতকাল মঙ্গলবার ১০টি এলাকা লকডাউন করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।
গতকাল পর্যন্ত যেসব এলাকা লকডাউন করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-মহাখালীর আরজতপাড়ার একটি ভবন, বসুন্ধরা এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালসংলগ্ন এলাকা, বসুন্ধরা ডি ব্লকের রোড-৫, বুয়েট এলাকার একাংশ, ইস্কাটনের দিলু রোডের একাংশ, মিরপুরের টোলারবাগ, উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের একটি সড়ক এলাকা, কাজীপাড়ার একাংশ, সেন্ট্রাল রোডের একাংশ, সোয়ারীঘাটের একাংশ, মিরপুর-১০-এর ৭ নম্বর রোড, পল্টনের একাংশ, আশকোনার একাংশ, নয়াটোলার একাংশ, সেনপাড়ার একাংশ, মীর হাজিরবাগের একাংশ, নন্দীপাড়ার ব্রিজের পাশের এলাকা, মিরপুর সেকশন ১১-এর একটি সড়ক, লালবাগের খাজে দেওয়ান রোডের একটি, ধানমন্ডি-৬-এর একটি অংশ, উত্তর টোলারবাগ, মিরপুর-১৩ ডেসকো কোয়ার্টার, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী, পশ্চিম মানিকনগর, নারিন্দার কিছু এলাকা, গ্রিন লাইফ হাসপাতাল এলাকা, ইসলামপুরের একাংশ। এসব এলাকা বর্তমানে পুলিশি পাহারায় রয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে সব দোকানপাট।
এদিকে পুরান ঢাকার খাজে দওয়া লেনে একটি মসজিদ কমিটির সহসভাপতি ও এক নারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে চিহ্নিত হওয়ার পর গতকাল ওই এলাকার ২০০ ভবন লকডাউন করা হয়েছে।
একই দিন মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকার ৬টি এলাকাও লকডাউন করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি মার্কেটের সামনে, তাজমহল রোড মিনার মসজিদ এলাকা, রাজিয়া সুলতানা রোড, বাবর রোড ও আদাবর এলাকার কয়েকটি বাড়ি ও রাস্তা রয়েছে। এসব এলাকা ঘিরে লাল ফিতা, পতাকা লাগিয়ে চলাচলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৪ জন। মারা গেছেন ১৭ জন।
পেপারস লাইফ/খবর/জেলা

