ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইজন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী তথ্য গোপন করে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ফলাফল স্বরুপ হাসপাতালটির ডাক্তার এবং নার্সসহ মোট ৪২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে।
এদের মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আক্রান্তদের পরিবারের সদস্য ও কাছের মানুষদের কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে।
চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ ডক্টর্স ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সংক্রমিত হয়েছেন ১৭০ জনের বেশি চিকিৎসক। আর আক্রান্তের শীর্ষে আছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল ২৫ জন ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের ৯ জন চিকিৎসক।
করোনা আক্রান্ত এক চিকিৎসক বলেন, আক্রান্ত হওয়ার কারণ মূলত পর্যাপ্ত পিপিইর অভাব। আমি যে ইউনিটে ইন্টার্ন করি সেই ইউনিটে একজন নার্স পজেটিভ ছিল কিন্তু তিনি কাউকে কিছু জানাননি।
মিডফোর্ড হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ মো. শাহীন বলেন, এখন পর্যন্ত যারা সেবা দিচ্ছেন কাল যে তারা আক্রান্ত হবেন না সেটি বলা যাচ্ছে না। কারণ এ জায়গাটা এখন একটা এপি সেন্টারের মত হয়ে গেছে।
চিকিৎসকদের এভাবে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে নিম্ন মানের পিপিই আর রোগীদের তথ্য লুকানোর প্রবণতাকে দায়ী করছেন চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ডক্টর ফাউন্ডেশন (বিডিএফ) প্রধান সমন্বয়ক ডা. নিরুপম দাশ বলেন, যে হারে চিকিৎসকরা আকান্ত হচ্ছেন তাতে আমাদের ভয় হলো কিছুদিন পরে চিকিৎসা দেয়ার মতো চিকিৎসক থাকবেন কি না।

