প্রাণঘাতী করোনায় বিপর্যয়ের মুখে সারাবিশ্ব। ইতোমধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১ লাখ ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেইসাথে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ছাড়িয়েছে।
করোনার করাল গ্রাসে আক্রান্ত সকল দেশেই করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে জারি করা হয়েছে ‘লকডাউন’। সেইসাথে লকডাউন চলাকালে প্রয়োজনীয় সকল দিক নির্দেশনা দিয়েছে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা হু।
করোনা মোকাবেলায় যে দেশগুলো চলাচলের উপর নিয়ম জারি করেছে তাদেরকে সব সময় মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে বলে বলছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা।
ইতোমধ্যে ইতালি ও স্পেন করোনার দুইটি হটস্পটে গত মাসে লকডাউন জারির পর তা অনেকটা শিথিল করা হয়েছে। এদিকে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চালু করা লকডাউন সোমবার শিথিল করেছে নিউজিল্যান্ড।
ডাব্লিউএইচও বলছে, মানুষের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে লকডাউন তোলার দরকার ছিলো। মানুষ এরই মধ্যে করোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছে।
তবে হু জানিয়েছে এই মুহূর্তে কোন দেশ ‘লকডাউন’ শিথিল করতে চাইলে তাদেরকে নিম্নোক্ত ৬ টি বিষয় মেনে চলতে হবে। সেগুলো হচ্ছে-
>ভাইরাস ছড়ানো বন্ধ হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে।
>স্বাস্থ্য সিস্টেমগুলিতে নতুন কেসগুলি দ্রুত সনাক্ত, পরীক্ষা।
> প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কর্মক্ষেত্র, স্কুল এবং দোকানগুলোতে স্থাপন করা।
> আমদানি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা করা।
> মানুষকে নিয়মাবলী সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
প্রতিটি দেশকে ভাইরাস ছড়ানোর ব্যবস্থাকে নির্মুল করে জীবন বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। রোগ পুরোপুরি নির্মুল হতে যদিও ভ্যাকসিন প্রয়োজন । বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক আরো বলছেন কোন দেশ যদি পুরোপুরি রোগ নির্মুল না হওয়ার আগে লকডাউন তুলে নেয় তবে সে ক্ষেত্রে আবারো রোগ ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে।

