এবার পঙ্গপালের হামলার শিকার হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। এ ঘটনায় গত ফেব্রুয়ারিতে পঙ্গপাল ঠেকাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে পাকিস্তান। অন্যদিকে ভারত ও নিয়েছে এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) জানিয়েছে, শীতকাল বৃষ্টিবহুল হওয়ায় পঙ্গপালের জন্ম ও বংশ বিস্তার ঘটেছে পাকিস্তান ও ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকায়। পুরো পাকিস্তানের ৩৮ শতাংশ এলাকা পঙ্গপাল প্রজননের উর্বর ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে বেলুচিস্তানে, সিন্ধু, পাঞ্জাব।
আর পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে জন্ম নেয়া এক ঝাঁক পঙ্গপাল এ মাসের শুরুতে হানা দিয়েছে ভারতের রাজস্থানের আজমেরে। সেখানে বিপুল ফসল নষ্ট করছে এ ঝাঁকটি।
এফএও জানায়, এ মৌসুমে পঙ্গপালের হানায় শুধু পাকিস্তানেই যদি রবিশস্য যেমন গম, ডাল, আলু ইত্যাদি ১৫ শতাংশও নষ্ট হয়, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২০৫ বিলিয়ন রুপি।
সংস্থাটি জানায়, ২২ জুন থেকে দক্ষিণ ইরান, ইরান-বেলুচিস্তান সীমান্ত, ওমান ও পূর্ব আফ্রিকা থেকেও পঙ্গপালের আরো কয়েকটি গ্রুপ পাকিস্তান ও ভারতে প্রবেশ করতে পারে। ফলে কয়েকটি ঝাঁকের সম্মিলিত শক্তি ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করবে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে

