থাইল্যান্ডে বাড়ছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা



দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্বর্গ থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের প্রভাব দিন দিন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দেশটির বৈচিত্র্যময় ও সাশ্রয়ী জীবনযাত্রার টানে যেখানে প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক পাড়ি জমায়, সেখানে এখন নতুন সম্ভাবনার পথ উন্মোচন করছেন প্রবাসী বাঙালি ব্যবসায়ীরা। ভিসা সংক্রান্ত নানা প্রশাসনিক বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও সাহসের ওপর ভর করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন অনেকেই। ব্যাংকক থেকে শুরু করে পর্যটন শহরগুলোতে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছেন তরুণ প্রবাসী উদ্যোক্তারা।

একসময় থাইল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বাণিজ্য মূলত ট্রাভেল এজেন্সি, দেশীয় ও হালাল রেস্তোরাঁ, খুচরা পণ্য বিক্রি কিংবা টেইলারিংয়ের মতো চিরাচরিত খাতে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে সেই চিত্র বদলে গেছে। অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী ব্যবসায়ীরা এখন ব্যাংকক কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পর্যটন সেবায় প্রবেশ করছেন। বাংলাদেশে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক রোগীদের সেবা প্রদান, থাইল্যান্ডের বিশ্বমানের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সহায়তা ও যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার মতো জটিল কাজগুলোতে সফলভাবে যুক্ত হয়েছেন প্রবাসী উদ্যোক্তারা।

তবে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য সম্ভাবনা যতখানি উজ্জ্বল, নতুন বা বিদ্যমান ব্যবসা পরিচালনা করা ততখানি সহজ নয়। স্থানীয় থাই আইন অনুযায়ী যেকোনো কোম্পানিতে বিদেশী নাগরিকদের পাশাপাশি থাই নাগরিককে বড় অংশীদার হিসেবে রাখতে হয়। সেই সাথে প্রতিটি ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিটের বিপরীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক স্থানীয় কর্মী নিয়োগের শর্ত পূরণ করতে হয়। পাশাপাশি ভিসা নবায়নের বার্ষিক ফি ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বেশ ব্যয়বহুল। এত নিয়মকানুনের পরও থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা বৃদ্ধির ধারা থেমে নেই।