হার্ট ভালো রাখতে, দুশ্চিন্তা কমাতে চুমু খান : গবেষণা


kiss #paperslife

চুমু খাওয়াকে প্রেম-ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হলেও, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে রয়েছে চুমুর উপকারিতা। ‘চুমুর মাধ্যমে আপনি থাকতে পারেন সুস্থ ও সবল’, বলছে গবেষণা।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে যে, চুমু কেবল মানসিকভাবে প্রশান্তি দেয় তা নয়। ব্যাপক মাত্রায় শারীরিক বিষয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

গবেষণায়;

উচ্চ রক্তচাপ ও অবসাদের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে চুমু বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়াও চুমুর সময় উত্তেজিত মস্তিষ্কে ক্ষরণ হয় ডোপামিন আর সেরোটোনিন নামক দুটি হরমোন, যা অবসাদ ও দুশ্চিন্তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।

ব্রিটেনের বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এক পরীক্ষার পর জানিয়েছেন, চুমু হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে সুষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে আমাদের হৃদযন্ত্র।

একটি সমীক্ষার মাধ্যমে মার্কিন বিজ্ঞানীরা জানান, যারা নিয়মিত অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে চুমু খান, তাদের প্রতি মিনিটে প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোগ্রাম ক্যালোরি বার্ন হয়। এতে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে।

চুমুর সময় মুখের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে লালা নিঃসৃত হতে থাকে। একই সঙ্গে মুখের ভেতরে নানা রকম উৎসেচক ক্ষরিত হয়। ফলে, মুখের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে

ব্রিটেনের ‘নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড কগনিটিভ সায়েন্স-এর বিজ্ঞানীদের দাবি করেন, চুমু খেলে মস্তিষ্কে এন্ডরফিন নামক এক ধরণের হরমোনের ক্ষরণ হয় যা শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে

চুমু খেলে মাইগ্রেনের মতো মারাত্মক যন্ত্রণাও সহজেই কমে যেতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা দাবি করেন।

চুমুর সময় মুখের ভেতরে থাকা ৩৪টি পেশি এবং ১১২টি পসট্রুয়াল পেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে বলে মত বিজ্ঞানীদের। এর ফলে ফেসিয়াল পালসি ও মাসকুলার ডিসটোনিয়ার মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।