মাত্র ৪ মাসেই সারা বিশ্বে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস। আক্রান্ত ৪ থেকে ৬ ভাগের জন্য প্রয়োজন আইসিইউ। করোনায় আক্রান্ত প্রায় ৮২ শতাংশ সাধারণ চিকিৎসায় সুস্থ হলেও ১২ থেকে ১৩ ভাগ রোগীর জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন বা নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন।
শ্বাসনালীতে নল না ঢুকিয়েই অক্সিজেন সরবরাহের এ ভেন্টিলেটরের একেকটির দাম মাত্র আড়াই থেকে ৫ লাখ টাকা। এ পদ্ধতিতে আক্রান্তের উল্লেখযোগ্য অংশকে সুস্থ করা সম্ভব বলে মত সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞদের।
এ বিষয়ে মেডিসিন সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফুল বাসার বলেন, উল্লেখযোগ্য অংশকে সুস্থ করা সম্ভব কিন্তু তার জন্য একটা সেটআপ লাগবে, অক্সিজেন সাপোর্ট লাগবে। এবং এ কাজটা যে চিকিৎসকরা করবেন তাদের জন্য পর্যাপ্ত পিপিই লাগবে।
এদিকে আক্রান্ত ৪ থেকে ৬ ভাগের জন্য প্রয়োজন আইসিইউ। দেশের বাস্তবতায় রাতারাতি শত শত আইসিইউ নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় অক্সিজেন সরবরাহের দিকেই প্রাথমিকভাবে বেশি জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। এক্ষেত্রে এখনই আক্রান্তের আনুমানিক সংখ্যা ধরে জোর প্রস্তুতির আহ্বান তাদের।
বিএসএমএমইউর আইসিইউ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান বলেন, পরিকল্পনা করা উচিত, করোনা স্পেশাল হাসপাতাল বানানো উচিত।
সরকারি বেসরকারি মিলে দেশে আইসিইউয়ের সংখ্যা প্রায় ৬শ’ হলেও, সচল নেই সমান সংখ্যক ভেন্টিলেশন মেশিন। জটিল রোগীদের কথা বিবেচনায় এনে অচল মেশিনগুলো কার্যক্ষম করার পাশাপাশি চিকিৎসকের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত আমদানির আহ্বান তাদের।

