তুমি আর আমি মিলে আমরণ অনশনে যাব।
প্রায় মরে যাওয়া গণজাগরণ মঞ্চে
আবারো জাগরণ ফিরবে,
তুমুল প্রেমের জাগরণ হবে।
হবে কি আবারো আষাঢ় এর জলে ভেজা?
হবে কি আবারো নিখাঁদ প্রেমের কাব্য লেখা?
রোদ-দুরে খুব দূরে গিয়ে হাত নেড়ে বিদায়?
প্রচুর বৃষ্টি ঘৃণা করা তুমি!
তার সাথে মিশেছে শব্দভার “নিখাঁদ”
রোদ্দুর এখন এড়িয়ে যাওয়ায় শ্রেয়।
চটজলদি রেগে গিয়ে
নিশ্চয় আড় চোখ আমায় খোঁজে?
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বই ভরা তাক,
তাক ভরা উদাহরণ হীন রাগ
আমার দিকে বাণের তীর ছোঁড়া
সব গল্পই রাতের আঁধারে অল্পই লাগে!
মিল-অমিলের ছন্দ পড়ে
এখন তো আর কাব্য করা যায় না।
কাব্যের জন্য মন লাগে,
রেজিনাস পোড়া ধোঁয়ায় পুড়ে ছাই।
তবে হ্যাঁ মস্তিষ্ক বিকৃত শব্দে প্রায়শই কাব্য করি।
এখন তো আর প্রেম করা হয় না।
প্রেমের জন্য তুমি লাগে,
তুমির তুমিতে আমিহীন তুমি, তুমিময়।
তবে হ্যাঁ শ্রাবণ-স্নাত জলে প্রায়শই প্রেম করি।
তবে এখনো রাত জাগা হয়,
ঝগড়াঝাঁটি তুমুল হয়, আমাতে আমার।
মন প্ররোচিত বাক্য গুলো
এক পাহাড় সমান অভিমানে
বাহিরে আসতে চায় না।
কারণটা খুবই সোজা,
লেখকের পাঠ হীন এই কবিতা
পাঠকের সাথে কোন ভাবে একাত্মতা করতে চায় না।
কোনদিন পাঠ হবে না জেনে
ছাপাখানায় ছাপানো কবিতার তুমিময় পাতাগুলো
নিপুণ যত্নে ঝালমুড়িওয়ালার ঠোঙা হবে।
তাহলে কি কোন দ্বৈত সত্ত্বা পড়বে না?
হ্যাঁ পড়বে,
আমাদের প্রাক্তন হওয়ার পূর্ব মূহুর্তের মত
কোন এক যুগলের ঝালমুড়ি শেষে
ঠোঙা ছুঁড়ে দেওয়ার আগে চোখ আটকাবেই।
পাঠ্যবইয়ের ফর্মা হিসেবে ঠাঁই না পাওয়া এই কবিতা
সেদিন সেই যুগলকে ভাবিয়ে তুলবে,
কবিতার শুরুর সেই অনশন কোথায় গেল?
প্রেমের জাগরণ কোথায়?
উত্তর না পেয়ে বেচারারা হাসবে লেখকে নিয়ে।
অলস দুপুরের কবিতাগুলো এমনি হয় ভেবে
আবারো মুচড়ে ছুঁড়ে দেবে, দূরে
কিন্তু আমি উত্তর আজো দেবো না।
পেপার’স লাইফ/কবিতা/শাহবাজ হোসেন প্রান্ত

