করোনার কথা অনেক আগে থেকেই জানত চীন। কিন্তু তাতে পাত্তা দেয়নি নামজাদা বিশেষজ্ঞরা। এমনই এক তথ্য দিয়েছেন ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ড. লি মেং ইয়াং।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ গবেষাণায় করোনা প্রতিরোধে ভূমিকা নিতে পারত বলে মত দিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
ডা. লি জানান, অনেক আগেই তিনি এই ভাইরাসের বিষয়ে তার প্রতিষ্ঠানের শীর্ষকর্তাকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এর পরেই তার মতো ‘বিদেশিদের’ কাজ বন্ধ করে দেয় চীন। হংকংয়ের বাসিন্দা হয়েও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অধিকার ছিল না তার।
লি-এর আরও অভিযোগ, এ গোটা ঘটনাই জানতেন হু-এর অনুমোদিত গবেষণাগারের প্রধান প্রফেসর মালিক পেইরিস। পেইরিস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
তিনি আরও জানিয়েছেন, বহু রোগীই ঠিক মতো চিকিৎসা পরিষেবা পাচ্ছিল না। আমাদের চুপ করিয়ে রাখা হতো। মাস্ক পরে থাকতে হতো শুধু।
এর আগে গত ২৮ এপ্রিল শুধু পাসপোর্ট আর টাকার ব্যাগ নিয়ে চীন থেকে আমেরিকা পালিয়ে যান হংকংয়ের বিজ্ঞানী ড. লি মেং ইয়াং। তিনি চীনের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ছিলেন।
কিন্তু তিনি জানতেন, এ বিষয়ে ঘুণাক্ষরেও কেউ টের পেলে তাকে জেলে ভরা হবে। এমনকী গুম করাও হতে পারে।
একটি গোপন স্থানে লি-এর ইন্টারভিউ নেয় ফক্স নিউজ। সেখানে লি স্পষ্ট বলেন, আমার অন্যায়, আমি প্রাণ বাঁচাতে আমেরিকায় পালিয়ে এসেছি। এবং সব খুলে বলছি।
এখনো চীনেই রয়েছেন লি মেং-এর পরিবার। দুঃস্বপ্নের মতো এই সময়ে লি নিজেকে বিশ্বাস করাচ্ছে আর দেখা হবে না কারো সঙ্গে।

