নেত্রকোনার মদন উপজেলায় কাইটাইল ইউনিয়নের বাঁশরী দূর্গাশ্রম গ্রামের এরশাদের (৩৩)। জীবিকার তাগিদে কিস্তিতে কিনেছিলেন একটি সিএনজি। শুক্রবার গভীর রাতে পুড়ে গেছে তার জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন এই সিএনজি। পরিবারের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে এরশাদ এখন দিশেহারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এরশাদ প্রতিদিনের মতোই শুক্রবার সিএনজি চালার পর রাতে তার বাড়ির পাশে রেখে দেয়।
রাতের খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়লে ১২টার দিকে শব্দ শুনে ঘুম ভাঙে। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখতে পান আগুনে জ্বলছে সিএনজি ও বসত ঘর। পরে বসত ঘর রক্ষা করা গেলেও সিএনজিটি পুড়ে গেছে।
এ বিষয়ে এরশাদ জানায়, প্রতিবেশী শাহজাহান প্রায় আমার ক্ষতি করবে বলে হুমকি দিতো। শুক্রবার রাতে তারা কয়েজন মিলে আমার সিএনজিসহ বসত ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আগুন থেকে বসত ঘর রক্ষা পেলেও সিএনজি পুড়ে গেছে। খুব কষ্ট করে কিস্তি দিয়ে সিএনজিটি কিনেছিলাম। এখনো কিস্তি দেয়া শেষ হয়নি। আমার পরিবারের লোকজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করার একমাত্র উপার্জনেই হতো এ গাড়ি দিয়ে। এখন আমি কি করবো?
অভিযুক্ত শাহজাহান বলেন, আমি ধান পাহারা দেয়ার জন্য বাড়ির সামনে শুয়ে ছিলাম। আগুন দেয়ার ব্যাপারে কিছু জানি না।
এ ব্যাপারে মদন থানার ওসি মো. রমিজুল হক জানান, বাশঁরী গ্রামে সিএনজি পুড়িয়ে দেয়ার খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

