একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ও চূড়ান্ত ধাপের সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। শনিবার প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে পুনরায় শিক্ষার্থীরা অনলাইনে তাদের কলেজের পছন্দক্রম জমা দিতে পারবেন। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২৭ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত।
চলতি শিক্ষাবর্ষে যেসব শিক্ষার্থী এখনও পর্যন্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনোনীত হতে পারেনি কিংবা নিশ্চায়ন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের জন্য এটিই শেষ সুযোগ। শিক্ষা বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজারো শিক্ষার্থীর কলেজ ভর্তির অনিশ্চয়তা কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এবার মূলত চার ধরণের শিক্ষার্থী এ ধাপে আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। প্রথমত, যারা আগে কোনো ধাপে আবেদন করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ত, যারা আবেদন করলেও আগের দুই ধাপে কোনো কলেজে পছন্দের তালিকায় স্থান পাননি। তৃতীয়ত, মেধা তালিকায় মনোনয়ন পাওয়ার পরও কোনো কারণে সময়মতো নিশ্চায়ন করতে পারেননি। এবং চতুর্থত, ভুল কোটা নির্বাচন বা অন্য কোনো কারিগরি ভুলের কারণে যাদের ভর্তি বাতিল হয়েছিল, তারাও এই সুযোগ পাচ্ছেন।
স্বভাবতই এটি সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজ নিশ্চিত করার একদম শেষ আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ। পরবর্তীতে আর কোনো ধাপ বাড়ানো হবে কি না—তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
আবেদনকারীদের নির্ধারিত অফিশিয়াল ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম দিতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড থেকে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, শিক্ষার্থীকে তার প্রাপ্ত জিপিএ ও কলেজের আসনসংখ্যা বিবেচনায় রেখে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কলেজ নির্বাচন করতে হবে।
আবেদন ফি বাবদ নতুন আবেদনকারীদের নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করতে হলেও দ্বিতীয় ধাপে ওয়েটিং লিস্টে থাকা বা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বড় স্বস্তি রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যেসব শিক্ষার্থী দ্বিতীয় ধাপে আবেদন জমা দিয়েও কোনো কলেজে স্থান পায়নি, তাদের নতুন করে ২২০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে না। তারা শুধুমাত্র ভর্তি পোর্টালে লগইন করে তাদের আগে দেওয়া কলেজের পছন্দক্রম পরিবর্তন বা নতুন কলেজ নির্বাচন করতে পারবেন।

