ভারত- চীন সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে এবার ভারতের আগ্রাসী এবং তীব্র প্রতিরোধের কারণে লাদাখের উত্তরবর্তী অঞ্চলে পিছু হটেছে চীন। লেহের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভারতীয় সেনাদের মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অবাক করা সফর হজম করতে পারছে না চীন। একারণেই চীনের সরকারি প্রতিক্রিয়াও হারিয়ে গেছে হঠাৎ করেই।
করোনা মহামারি পরবর্তী বিশ্বে চীনে বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তারের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে মোদির হুঁশিয়ারি বার্তাতেও থমকে গেছে চীন। চীনের নাম না নিয়েই মোদি সেখানে বলেছেন, সম্প্রসারণবাদের যুগ শেষ, এটি উন্নয়নের যুগ। ইতিহাস জানে যে প্রসারণবাদী শক্তিগুলো হেরে গেছে বা ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিল। মোদী সেখানেই থামেনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ‘দুর্বলরা কখনই শান্তি অর্জন করতে পারে না, সাহসীরা তা করতে পারে।’
সম্প্রসারণবাদের উল্লেখটি মোদীর কৌশলগত আঘাত। তিনি সম্প্রসারণবাদ বলতে শুরু লাদাখের ভারতীয় অংশে চীনের অননুমোদিত প্রবেশের কথাই বলেননি। বরং সীমান্ত ভাগাভাগি করা সকল প্রতিবেশির সঙ্গে চীনের বিরোধকে ইঙ্গিত করেছেন। এক বাক্যে বলতে গেলে, সীমান্ত বিরোধ ইস্যুতে হয়রানির শিকার হওয়ার ২১টি পক্ষকে সাথে নিয়ে চীনকে একঘরে করতে চায় ভারত।
মোদির এই আগ্রাসী সফরের পর সারাদিনই চুপচাপ ছিল চীন। এমনকি পরিচিত চীনা সমর্থকদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলেও চুপ হয়ে যায়। পরে একটি অবাস্তব বিবৃতি দেয়া হয় চীনের পক্ষ থেকে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘ভারত ও চীন সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলগুলির মাধ্যমে উত্তেজনা কমাতে যোগাযোগ ও আলোচনা করছে।

