উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হয়েছে। অনেকে ফেল থেকে পাস করেছেন, অনেকের বেড়েছে জিপিএ; কারো কারো মিলেছে জিপিএ-৫।
বৃহস্পতিবার নিজেদের ওয়েবসাইটে মাধ্যমিকের পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে আটটি সাধারণ বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। পুনঃনিরীক্ষায় এবার ঢাকা বোর্ডের এক হাজার ৯৯০ জনের ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে।
মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন।
রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে ৭ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণে ৫২৯ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। যার মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ৫১ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে নতুন ৪৮ জন ও গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে মোট ৪৫০ শিক্ষার্থীর।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তাওয়ারিত আলম জানান, মোট ৫৩ হাজার ৫১০টি উত্তরপত্র পুনরায় নিরীক্ষণ করা হয়।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণ শেষে ৪৪২ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। গতকাল দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ ফল ঘোষণা করে।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে এসএসসির ফল প্রকাশ করা হয়। এতে বোর্ডটিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর পরের দিন থেকে গত ১৩ মে পর্যন্ত এ ফল চ্যালেঞ্জ করে ১৬ হাজার ৮৩৭ জন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এতে ৪৪২ জন পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে ৮৮ জন ফেল করা শিক্ষার্থী পাস করেছে। এছাড়া গ্রেড পরিবর্তন হয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬২ জন।
বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, একটি বিষয়ে শিক্ষার্থী যত নম্বর পেয়েছেন, খাতার উপরে পরীক্ষক বৃত্ত ভরাটে ভুল করছেন কি না, কোনো প্রশ্নের উত্তরে নম্বর দেওয়া বাদ আছে কি না এবং মোট যোগফল ঠিক আছে কি না- পুনঃনিরীক্ষণে সেসব বিষয় দেখা হয়।
এর বাইরে অন্য বিষয়গুলো দেখা হয় না জানিয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা ফল পুনঃমূল্যায়ন চাইলেও তা করা যাচ্ছে না। প্রবিধানমালা পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়ন করা যাবে না।
