সম্প্রতি তার মৃত্যুর গুজব নিয়ে বিশ্ব গণমাধ্যমে তোলপার চলেছে৷ কিন্তু সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি বয়াল তবিয়তে হাজির হয়েছে। বলছে কিম জং উন বলে কথা! কিমের মাথায় কী আসে ঠিক নেই। ফিরে এসেই নতুন খবরের জন্ম দিলেন।
রেডিও ফ্রি এশিয়ার বরাত দিয়ে ভারতের নিউজ ক্র্যাব পত্রিকা জানায়, উত্তর কোরিয়ার মানুষদের প্রতিদিন মল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রত্যেক নাগরিককে প্রতিদিন ৯০ কেজি করে মল সরবরাহ করতে হবে। অমান্যে শাস্তি। শাস্তি বলতে অবশ্য মারধর কিংবা ফাটকে ঢোকানো নয়। শাস্তি হলো, যে নির্দেশ অমান্য করবে, তাকে ওই ৯০ কেজির সঙ্গে অতিরিক্ত ৩০০ কেজি মল সরবরাহ করতে হবে। আর সেটা সম্ভব না হলে নগদ টাকা জরিমানা।
৯০ কেজি মল অবশ্য পুরোটা নিজের হলে ভাল। সেটা সম্ভব না হলে পশুর মল। এই নির্দেশ অবশ্যই অমান্য করা যাবে না। অমান্য করলে বাড়তি ৩০০ কেজি মল সরবরাহের খাড়া নেমে আসবে।
তবে কিমেরও এই হুকুম না দিয়ে উপায় ছিল না। দেশটিতে সারের সঙ্কট চলছে বহুদিন ধরে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কিমের বাবার সংঘাতের কারণে দেশে সার সঙ্কট দেখা দেয়। সে সঙ্কট চলছে এখনো। সঙ্কট নিরসনে রাসায়নিক সারের কথা ভুলে এখন তাই জৈব সারের দিকে নজর দিতে হচ্ছে জং উনকে।

