চুয়াডাঙ্গা জীবননগরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে পড়ে যাওয়া রাস্তার উপর গাছ সরিয়ে রীতিমত বিপাকে পড়েছেন রবিউল ইসলাম নামের স্থানীয় এক যুবক। গত শনিবার (২৩ মে) দুপুরে জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের মিনাজপুর মাঠপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ৮২ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে জীবননগর উপজেলার বেশ কিছু ইউনিয়নের গ্রামের সড়কে পাশে থাকা সামাজিক বনায়নের গাছ ভেঙ্গে রাস্তার উপর পড়ে থাকে।
যার ফলে জনসাধারনে চলাচলে চরম বিপাকে পড়তে হয়। এ কারনে এলাকার কিছু সচেতন ব্যাক্তি এবং সামাজিক বনায়ন সমিতির সদস্যরা নিজ উদ্যোগে সড়কে পড়ে থাকা গাছ সরিয়ে রাস্তার পাশে রেখে দেয় আবার অনেকে নিজের দায়িত্বে বাড়ির পাশে গচ্ছিত রাখে।
সেরকমই একজন সচেতন ব্যাক্তি মিনাজপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম। তিনি মিনাজপুর সড়কের উপর পড়ে থাকা গাছ সরিয়ে রাস্তার পাশে রেখে দেয়। পরবর্তীতে ওই গ্রামের একটি মহল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তাকে মিথ্যা গাছ চুরির অপবাদ দিয়ে এক সাংবাদিক একটি অনলাইনে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। এবং রবিউলকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। সেইসাথে জীবননগর থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। যা একেবারেই ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সুত্রে আরও জানা যায় ওই সাংবাদিক এর আগেও রবিউল এবং তার পরিবারের নামে একটি মিথ্যা অভিযোগ তুলে সমাজে তাদের হেয় করেছে যা তদন্ত শেষে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে।
এখন গাছ চুরির অভিযোগ এনে আবারও তাদের সম্মানহানি করার চেষ্ঠা করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম বলেন, ঘুণিঝড়ে রাস্তার উপর গাছ উপড়ে পরেছিল। এর কারণে মানুষ যাতায়াতে সমস্যা সৃষ্টি হয়। সেসময় আমি গাছটি সরিয়ে রাস্তার এক পাশে রেখে দিয়েছিলাম যাতে করে বন বিভাগের অফিসার এসে গাছ গুলো নিয়ে যায়।
এমন সময় সাংবাদিক মোসলেম আমায় গাছ চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে একপর্যায়ে সে এবং তার পরিবারের কয়েকজন আমাকে মারধর করার চেষ্ঠা করলে আমি তার প্রতিবাদ করি। এসময় মোসলেম আমার বিরুদ্ধে তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।
এর আগেও সে আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে সেটিও মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। মোসলেম অযথাই আমাকে এবং আমার ভাই নিজামকে সমাজে হেয় করার জন্য এই কাজ করছে বলে জানায় রবিউল।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মোসলেমের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জীবননগর বন বিভাগের কর্মকর্তা কাজল বলেন, রবিউল গাছ চুরি করে নি। সে রাস্তার উপর গাছ পড়ে থাকায় তার নিজ দায়িত্বে গাছগুলো কেটে পাশেই সরিয়ে রাখে সেগুলো হেফাজতে রেখেছে।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার এস আই মিজান বলেন, রাস্তার গাছ চুরি করার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়ে আমি সরেজমিনে তদন্ত করলে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।
পেপার’স লাইফ/চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

