ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা মাত্র ৩৭ শতাংশ


এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জোর করে চুমু খাওয়ার অভিযোগ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা দিন দিন কমে যাচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং জরিপকারী প্রতিষ্ঠান ইপসসের করা তিনটি জনমত জরিপে যেন তার প্রমাণই মিলেছে। এই জরিপে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা কমতে কমতে ৩৭ শতাংশে পৌঁছেছে বলেও জানিয়েছে তারা।

২০১৬-র মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে রিপাবলিকান শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার কোনো আঁতাত হয়েছিল কিনা, সে বিষয়ে বিচার বিভাগের সম্পাদিত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন এ জরিপ করে রয়টার্স এবং ইপসস।

ওই প্রতিবেদনে ট্রাম্প শিবির-মস্কো আঁতাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া না গেলেও তদন্তে বাধা দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই তার শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার ‘সম্ভাব্য আঁতাতের’ তদন্তকে ‘উইচ হান্টিং’ হিসেবে অভিহিত করে আসছেন।

গত বৃহস্পতিবার কংগ্রেসে মুলারের সম্পাদিত ও পূর্ণাঙ্গ’ তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এতে স্পেশাল কাউন্সেল লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অপরাধ করেছেন- এরকম কোনো উপসংহার এই প্রতিবেদন টানছে না। তবে এই প্রতিবেদন তাকে দায়মুক্তিও দিচ্ছে না।

এরপর ওইদিন সন্ধ্যা থেকেই শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে জরিপ করে রয়টার্স এবং ইপসস। জরিপে অংশ নেওয়া ১০০৫ জনের মধ্যে ৯২৪ জনই মুলারের প্রতিবেদনের বিষয়ে অবগত বলে জানিয়েছেন।

এরপর ওই জরিপে ট্রাম্পের প্রতি এখন মাত্র ৩৭ শতাংশ মার্কিনির আস্থার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও, এসব জরিপে মার্কিনিদের মধ্যে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিগত বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।