বহুল আলোচিত ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় এই সপ্তাহেই অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিচ্ছে ডিবি।
শুক্রবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, চলতি সপ্তাহেই আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। আমাদের তদন্ত করা শেষ। তিনি বলেন, মেডিক্যাল টেস্ট, ডিএনএ টেস্ট ও তদন্তে মজনুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। কুর্মিটোলা বাস স্টেশনে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ঘটে সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন ৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। ৮ জানুয়ারি মজনু নামে একজনকে গ্রেফতার করে র্যাব। সে বর্তমানে কারাগারে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে মজনু। ধর্ষণের সঙ্গে সে একাই জড়িত ছিল। এছাড়া ভিকটিম শিক্ষার্থীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
সিআইডির ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম জানান, ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর কাপড় থেকে আমরা নমুনা সংগ্রহ করেছিলাম। সেখানে দুটি প্রোফাইল পাওয়া যায়। একটি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ও অপরটি মজনুর। আমরা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে সিআইডির রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি।
অপরদিকে, ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে ধর্ষক মজনুর সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ছাত্রীর কাপড় থেকে সংগৃহীত নমুনার সঙ্গে মজনুর ডিএনএ মিলে গেছে।

