তারা ঘাস খেয়ে বাঁচলেও, পরমাণু কর্মসূচি বাতিল করবে না




তাছাড়া, উত্তর কোরিয়া সঙ্কটকে কেন্দ্র করে যে ‘যুদ্ধের উন্মাদনা’ শুরু হয়েছে তা বিশ্বে জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে বলেও পুতিন সতর্ক করেছেন।
পুতিন বলছেন, কূটনীতিই এ সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ। চীনের সুরে সুর মিলিয়ে আলোচনার পথেই উত্তর কোরিয়া সঙ্কটের সমাধানের কথা বলছেন তিনি। কথা বলে সমাধানের পথ বের করায় পুতিনের মতে শ্রেয়।
চীনে ৫ দেশের উদীয়মান অর্থনীতির জোট ব্রিক্সের মঞ্চে উত্তর কোরিয়া নিয়ে কথা বলেছেন পুতিন। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নিন্দা জানালেও পুতিন বলেছেন, “তাদের ওপর কোনও ধরনের নিষেধাজ্ঞা চাপানো অর্থহীন এবং এ পদক্ষেপ কোনও কাজে আসবে না। কারণ, তারা ঘাস খেয়ে বাঁচবে তবুও নিরাপদ বোধ না করা পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিহার করবে না। নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা হবে কি করে? আন্তর্জাতিক আইন পুনরুদ্ধারের মধ্য দিয়েই তা করা সম্ভব। আমাদেরকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে আলোচনা চালুর চেষ্টা করতে হবে।’
মানবিক বিষয়ের দিকটি উল্লেখ করে পুতিন বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞায় আর কাজ হচ্ছে না। কঠোর নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপে কেবল লাখ লাখ মানুষ দুর্ভোগ পোহাবে।’
উত্তর কোরিয়ার গত রোববারের হাউড্রোজেন বোমা পরীক্ষার জবাবে দেশটির ওপর নতুন করে কঠোর জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেছেন, বাড়তি নিষেধাজ্ঞা দিয়েই কূটনৈতিক পন্থায় উত্তর কোরিয়া সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। জার্মানির চ্যান্সেলরও উত্তর কোরিয়ার ওপর অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ সমর্থন করেছেন।