নারায়ণগঞ্জে করোনায় একদিনেই সুস্থ ৬৩


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

নারায়ণগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করলেন আরও ৬৩ জন। এ নিয়ে জেলায় জুড়ে করোনা জয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪২ জনে। করোনা জয়ীদের মধ্যে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন সংস্থা ছাড়াও জেলা প্রশাসন, জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মকর্তা সদস্য, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ রয়েছেন। আগামী দিনগুলোতে এই সুস্থতার হার আরও বাড়বে বলে আশা করছে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলাজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৩৫ জন। মারা গেছেন ৬০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন ২৭৯ জন। সামনের দিন গুলোতে এই সুস্থতার সংখ্যা যেন আরো বৃদ্ধি পায় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেরই দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শেষ রিপোর্টে নেগেটিভ আসলেই তাদেরকে করোনামুক্ত ঘোষণা করা হচ্ছে। সে হিসেবে সর্বশেষ রিপোর্টের অপেক্ষায় আরও শতাধিক ব্যক্তি রয়েছেন। এছাড়াও বাড়িতে থেকে যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের শারীরিক অবস্থারও উন্নতি হয়েছে। ফলে আশা করা যাচ্ছে আগামী দুই তিন দিনে আরও শতাধিক ব্যক্তি করোনামুক্ত হয়ে উঠবেন।

জেলার করোনা চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নতির কথা উল্লেখ করে সিভিল সার্জন বলেন, এই জেলায় নমুনা সংগ্রহের সেন্টার হয়েছে, নমুনা পরীক্ষা করার ল্যাব হয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত রোগিদের চিকিৎসার জন্য কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালও হয়েছে। যার কারণে আক্রান্ত মানুষ সুস্থও হচ্ছেন। করোনার ব্যাপারে ঢাকায় যেতে হচ্ছে না। নমুনা সংগ্রহ করে আমরা একদিনের মধ্যেই রিপোর্ট পেয়ে যাচ্ছি। কিছুদিন আগেও রিপোর্ট চার পাঁচদিন সময় লেগে যেতো।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যাপারে মানুষের অবহেলাকে দায়ী কিরে সিভিল সার্জন ডা. ইমতিয়াজ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ এখনো প্রকৃতভাবে সচেতন হচ্ছেন না। সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে নিজের ও পরিবারের সুরক্ষার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিয়ম মেনে চলার আহবান জানান।