নিম্নমুখী প্রবণতায় ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শুরু হলেও বাকি সময়ে সূচকে মন্দা ভাব দেখা যায়। দিন শেষে সব কটি সূচকই ছিল নিম্নমুখী। দর কমেছে উভয় পুঁজিবাজারের সিংহভাগ সিকিউরিটিজই। তবে স্টক এক্সচেঞ্জে কেনাবেচা আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৩ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট বা দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪০৫ দশমিক ৪৬ পয়েন্টে। এদিকে ৮ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৬৯ দশমিক ৯৫ পয়েন্টে নেমেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। আর ২ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বা দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৬৩ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ১৫ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার ৪৬৪টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৮০১ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৭০৩ কোটি ৫১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ১০৪টির, কমেছে ২১১টির ও অপরিবর্তিত ছিল ২৬টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ৮২ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৯ দশমিক ৩৪ পয়েন্টে নেমে যায়। আর ৭৮ দশমিক ৫১ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯২ দশমিক ৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ১৭৮ কোটি ৮৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭৫৭ টাকার সিকিউরিটিজ, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৪১ কোটি ৩৯ লাখ ১৫ হাজার ১৫৫ টাকা।
