নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয়েছে লেনদেন



দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্য সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয়েছে লেনদেন। এ নিয়ে টানা চার কার্যদিবস নিম্নমুখী ছিল সূচক। দিনের শুরু থেকেই এদিন কমতে থাকে সূচক। দিন শেষে কমেছে সবগুলো সূচকই। দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই দর কমেছে অধিকাংশ সিকিউরিটিজের।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ৩৯ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বা দশমিক ৬৮ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭৭৩ দশমিক ৬১ পয়েন্টে। এদিকে ১০ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৫ শতাংশ কমে ২ হাজার ১৭৫ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে নেমেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। আর ২ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বা দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৫০ দশমিক ৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ১০ কোটি ৫৯ লাখ ১০ হাজার ৭৭৪টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৪১২ কোটি ২৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৫৫৩ কোটি ৪২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ৮৫টির, কমেছে ২১৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ৬৫ দশমিক শূন্য ২ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৭৭২ দশমিক ১৩ পয়েন্টে নেমে যায়। আর ১২১ দশমিক ৩ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৩১৮ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ৩৫ কোটি ৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৮ টাকার সিকিউরিটিজ, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৪১ কোটি ১৩ লাখ ৮২ হাজার ৭৬০ টাকা।