নিম্নমুখী স্বর্ণের বাজার




উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার জেরে কয়েক দিন ধরে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল মূল্যবান ধাতুটির দাম আরো কমেছে। ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যকার উত্তেজনার পাশাপাশি এদিন ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পক্ষ থেকে আগামী ডিসেম্বরে সুদহার বৃদ্ধির ইঙ্গিতে স্বর্ণের দাম কমেছে।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের স্পট মার্কেটে ডিসেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৩০ শতাংশ। এদিন প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয় ১ হাজার ২৮৯ ডলার ৬১ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ ডলার ৯০ সেন্ট কম। অন্যদিকে দুবাইয়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয় ১ হাজার ২৯১ ডলার ৮১ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ১ শতাংশ কম। ২১ সেপ্টেম্বর ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার জের ধরে পণ্যটির দাম ১৮ দশমিক ৭০ ডলার কমে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ২৯৭ দশমিক ৭০ ডলারে নেমে যায়। চলতি মাসে এদিনই প্রথম পণ্যটির দাম ১ হাজার ৩০০ ডলারের নিচে নেমে যায়। এরপর থেকে স্বর্ণের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে।
ব্রিটেনভিত্তিক ইটিএফ সিকিউরিটিজ লিমিটেডের গবেষণা ও বিনিয়োগ কৌশল বিভাগের প্রধান জেমস বাটারফিল বলেন, বেশ কিছুদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর স্বর্ণের বাজারে দরপতন দেখা দিয়েছে। ফেডের সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাজারে প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক উত্তেজনা স্বর্ণের দাম কমাতে ভূমিকা রেখেছে। তবে আগামী দিনগুলোয় পণ্যটির দাম বেড়ে ১ হাজার ৩০০ ডলারের ওপর অবস্থান নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
গতকাল রুপার দাম আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ১৬ ডলার ৮১ সেন্টে বিক্রি হয়। অন্যদিকে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯২০ ডলার ৯৯ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স বিক্রি হয় ৯১১ ডলার ৯০ সেন্টে।