নেতিবাচক প্রবণতায় শেষ হয়েছে লেনদেন



ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্টেরও বেশি কমেছে। অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর কমেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই। দিন শেষে সব কটি সূচকই ছিল নিম্নমুখী। লেনদেনও কমেছে উভয় বাজারে।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ৫১ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৬ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৪৩ দশমিক ৮৮ পয়েন্টে। ২৬ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৭৪ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে নেমেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। এদিকে ১২ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৩৮ দশমিক ৩১ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ২৮ হাজার ৬৬১টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৩৬১ কোটি ৮৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৪৬১ কোটি ৩০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ৮০টির, কমেছে ২১২টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪৪টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ১২১ দশমিক ৮১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৯৭৬ দশমিক ৬৯ পয়েন্টে নেমে যায়। আর ২৩৩ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৯৪০ দশমিক ৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ২০ কোটি ৩ লাখ ২২ হাজার ৫১৩ টাকার সিকিউরিটিজ, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ২১ কোটি ৮১ লাখ ৩ হাজার ৭৩৯ টাকা।