এরই মাঝে দুঃসংবাদ শুনতে হলো পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। জানা গেছে, ব্রডশিট এলএলসি নামের একটি সংস্থা পাকিস্তান ও ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরোর কাছ থেকে ৩৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ পায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বড় অঙ্কের অর্থ ফেরত দিতে পারেনি পাকিস্তান।
পাকিস্তান কাউন্সেল ‘অ্যালেন অ্যান্ড ওভারি’কে একটি চিঠি পাঠিয়েছে ওই সংস্থা। কিন্তু পাকিস্তান নাকি গত কয়েক মাসে কোনও উত্তর দেয়নি। এমনকি টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যাপারেও কোনও উদ্যোগ নেয়নি। পরে পাকিস্তান ও ন্যাব এর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল ওই সংস্থা। সেই মামলায় জয়ী হয়েছে তারা।
আদালত নির্দেশ দিয়েছে, পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেট দলের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার। তবে সেই সংস্থা এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করেনি।
পাকিস্তান ক্রিকেট দল এখন ইংল্যান্ড সফরে। তাই ওই সংস্থা এবার হুমকির সুরে জানিয়েছে, যেকোনও দিন তারা পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমে হানা দিতে পারে।
এমনকি লন্ডনে পাকিস্তান দূতাবাস ভবন এবং হাইকমিশনারের বাড়িও বাজেয়াপ্ত করার হুমকি দিয়ে রেখেছে তারা। নিউইয়র্কের রুসভেল্ট হোটেলও রয়েছে তাদের তালিকায়।
২০০০ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পরিবারসহ পাকিস্তানের বেশ কিছু সরকারি কর্মকর্তার দুর্নীতির তদন্তভার দেওয়া হয় ব্রডশিট এলএলসি নামের সংস্থাটিকে।
কিন্তু কাজ শেষ করার পরও পাকিস্তান বকেয়া পারিশ্রমিক শোধ করেনি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে মামলা করা হলে আদালত খেলোয়াড়দের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়

