পিএসজি'র কাছে জবাব চায় উয়েফা




রেকর্ড ট্রান্সফারে নেইমারকে দলে ভিড়িয়েছে পিএসজি। ২২২ মিলিয়ন এই ট্রান্সফারের পরপরই ধারণা করা হচ্ছিলো ইউরোপের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতির বিরুদ্ধে পড়তে হতে পারে ফরাসী লীগ ওয়ানের ক্লাবকে।
উপযুক্ত জবাব দিতে না পারলে মিলতে পারে নিষেধাজ্ঞা। এমন চাপ মাথায় নিয়েও গেল দলবদলে পিএসজি দ্বিতীয় রেকর্ড দলবদলও ঘটিয়েছে। স্বদেশী ক্লাব মোনাকো থেকে ১৮০ মিলিয়ন ইউরোতে এমবাপেকে দলে ভিড়িয়েছে লীগ-ওয়ান চ্যাম্পিয়নরা। উয়েফার চোখ ফাঁকি দিতে আগামী মৌসুমে এমবাপ্পের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করার পরিকল্পনা আঁটে পিএসজি। তবুও বাঁচতে পারেনি তারা।
উয়েফা জানিয়েছে, ‘ফেয়ার প্লে’ নীতির বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করে থাকলে ২০১৮/১৯ চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশ নিতে পারবে না পিএসজি। শিগগিরই উয়েফা এটা যাচাই-বাছাইয়ে নামবে।
ক্লাবগুলোর আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে উয়েফা ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে (এফএফপি) নীতি রেখেছে। যাতে একটি ক্লাব কখনো সর্বশেষ তিন মৌসুমে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি ক্ষতির মধ্যে থাকতে পারবে না। নেইমারের বদলিতে কেবল বার্সেলোনাকেই দিতে হবে ২২২ মিলিয়ন ইউরো। এর সঙ্গে আছে বোনাসের হিসাব। এক মৌসুমেই এত ক্ষতির জবাব দিতে হবে পিএসজিকে।
স্প্যানিশ দৈনিক এল পেইস জানিয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদ, বায়ার্ন মিউনিখ এবং জুভেন্টাসের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে পিএসজিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায় উয়েফা। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উয়েফার কাছ থেকে এমন হুঁশিয়ারি পাওয়ার পর বেশ কয়েক খেলোয়াড় ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ফরাসী ক্লাবটি।
তারা হলেন এঞ্জেল দি মারিয়া, হাভিয়ের পাস্তোরে, ব্লাইসে মাতুইদি, লুকাস মৌরা, জুলিয়ান ড্রাক্সলার, হাতেম বিন আরাফা, সার্জি আওরিয়ের এবং থিয়াগো সিলভা। তবে দলবদল শেষ হয়ে যাওয়ায় তা মোটেও সহজ হচ্ছে না ক্লাবটির জন্য।