প্রায় ৩ দশক পর ফের ডাকসুর যাত্রা আজ


ducsu

ফের যাত্রা শুরুর পথে ডাকসু। শনিবার (২৩ মার্চ) এই মেয়াদের প্রথম কার্যকরী সভার মাধ্যমে ২৮ বছর পর আবারও যাত্রা শুরু করবে ডাকসু। এর আগে সবশেষ ডাকসু নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালে।  তৎকালীন এরশাদ সরকারের পতনের পর শুধু ডাকসু নয়, কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি। গত ১১ মার্চ নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও কার্যক্রম শুরুর করতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্র সংসদ।

১১ মার্চের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পদের ২৫টির মধ্যে ২৩টিতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করলেও বাকি দুটি পদের মধ্যে ভিপি হিসেবে জয়লাভ করেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর এবং সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে জয়লাভ করেন আক্তার হোসেন। ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং সহ-সম্পাদক (এজিএস) নির্বাচিত হন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। এছাড়া হল সংসদে ১৮টি হলের মধ্যে ৯টি হলেই ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল জয়ী হয়।
নির্বাচনের দিন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ৫টি প্যানেল নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়। এদিকে নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর নির্বাচন বর্জন করে পুনর্নির্বাচনের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করলে কার্যকরী সভার আগের দিন পর্যন্ত দায়িত্ব নেয়া নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়। গত ১৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির সভা শেষে ডাকসুর প্রথম কার্যকরী সভার তারিখ ২৩ মার্চ ঘোষণা করা হয়। সভার একদিন আগে শুক্রবার (২২ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলন করে ডাকসু’র ভিপির দায়িত্ব নিচ্ছেন বলে ঘোষণা দেন নুর।
সংবাদ সম্মেলনে ভিপি নুর বলেন ‘শিক্ষার্থীদের চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়েই দায়িত্ব নিচ্ছ। শিক্ষার্থীরা পুনর্নির্বাচনের দাবিতে যে আন্দোলন করছে আমরাও সে দাবির প্রতি সমর্থন জানাই। ২৩ মার্চ যে অভিষেক অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে সেখানে আমরা শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়াকে প্রাধান্য দিয়েই অংশ নেবো ও দায়িত্ব গ্রহণ করবো। পাশাপাশি ডাকসুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সমস্যা সমাধানে কাজ করবো। ’