বন্ধের নি‌র্দেশনা না মে‌নে অ‌ভিনব পদ্ধ‌তি‌তে চল‌ছে বেচা-‌কেনা


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

বর্তমান বিশ্বে করোনাভাইরাস একটি আতঙ্কের নাম প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের বর্তমানে বাংলাদেশসহ জর্জরিত পুরো পৃথিবী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে করোনাভাইরাস বিস্তাররোধে গত ২৬ মার্চ থেকে দেশব্যাপী চলছে লকডাউন।

দেশের মানুষকে এ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতেই এমন পদক্ষেপ নেয় সরকার। ঔষধ ফার্মেসী নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট ছাড়া সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় সরকার।

কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভিন্ন পন্থায় চালাচ্ছে তাদের কেনাবেচা। শহরের পোশাকের দোকান, কসমেটিকসের দোকান, ইলেকট্রনিক্স জুতার দোকানসহ লকডাউনের আওতায় থাকা নানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।

কোথাও দেখা মিলবে দোকানের শাটার অর্ধেক খুলে আর অর্ধেক বন্ধ করে অপেক্ষা করছে ক্রেতা সাধারণের, আবার কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় শাটার লাগানো থাকলেও দোকানের মালিক বসে আছে দোকানের সামনে, ক্রেতাসাধারণ আসলেই নিরবে প্রবেশ করছে দোকানের ভেতর এর মধ্যে চলছে বেচাকেনা।

কিছু কিছু দোকান বন্ধ থাকলেও শাটারের গায় দুইবার টোকা মারলে ভেতর থেকে গায়েবী আওয়াজ আসছে কি লাগবে৷ কখনো বা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই লুকিয়ে পড়ছে এই সমস্ত দোকান মালিকরা।

আবার অনেকেই প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য দোকানের সামনে নিয়ে বসে আছে মাক্স,হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহৃত পণ্য।

কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে আছে ভিন্ন মতলব, এরকম নানান পন্থায় চলছে বেচাকেনা। লকডাউন অমান্য করে বাজারে আসা ক্রেতাসাধারণের ভিড় কোনভাবেই কমছে না বাজার থেকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জীবননগর পৌরসভা মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷

জীবননগর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জি এ জাহিদুল ইসলাম বাবু প্রশাসনের ঢিলেঢালা নজরদারি কে দায়ী করে বলেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে জীবননগরবাসীকে মাসুল দিতে হতে পারে বড় ধরনের খেসারত।

সেইসাথে করোনায় সংক্রমিত হতে পারে গোটা এলাকা ৷ প্রশাসনকে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরেও কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষুব্ধ জীবননগর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মোঃ আব্দুল লতিফ অমল।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে করোনায় মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে জীবননগরবাসী ৷ তাই দ্রুত আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রশাসনের কাছে এমনটি আশা করছে এলাকার বিশিষ্টজনেরা।