মুশফিকুর রহিম ও সৌম্য সরকারের ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেটে ১৯৩ রান করেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে এটাই তাদের সর্বোচ্চ।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। অভিষিক্ত জাকির হাসান চতুর্থ ওভারের শেষ বলে ফিরে যাওয়ার আগে স্কোরবোর্ডে উঠেছে ৪৯ রান। মারমুখো ব্যাটিংয়ে টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন সৌম্য সরকার। কিন্তু ১১তম ওভারে ছোটখাটো মড়ক লাগে বাংলাদেশের ইনিংসে। তিন বলের মধ্যে ফিরে যান সৌম্য ও আফিফ হোসেন।
২ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ৩০ বলে অান্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন সৌম্য। কিন্তু ১১তম ওভারে ব্যক্তিগত ৫১ রানে জীবন মেন্ডিসের বলে এলবিডব্লু হয়ে ফিরে যান এ ওপেনার । এক বল পরই লঙ্কান উইকেটরক্ষক নিরোশান ডিকভেলাকে ক্যাচ দেন অভিষিক্ত আফিফ। তাঁর কপাল খারাপ। মেন্ডিসের ডেলিভারি তাঁর উরুতে লেগে ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে ডিকভেলার গ্লাভসে। দারুণ উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন ডিকভেলা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৩ উইকেটে ১২৩ রান। ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহিম (৪১*) ও মাহমুদউল্লাহ (২১*)। চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রানের জুটি গড়েছেন দুজন।
অাফিফের মতো আন্তর্জাতিক অভিষেকে জাকির হাসানের শুরুটাও ভালো হয়নি। ৯ বলে ১০ রান করে দানুষ্কা গুনাতিলকার বলে বোল্ড হন তিনি। জাকির ছাড়াও বাংলাদেশ দলে অভিষিক্ত বাকি তিন নতুন মুখ হলেন আফিফ হোসেন, নাজমুল ইসলাম ও আরিফুল হক। চোটের কারণে দলে নেই তামিম ইকবাল। বিপিএলের গত আসরে দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন জাকির হাসান ও আরিফুল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৯৩/৫ (জাকির ১০, সৌম্য ৫১, মুশফিক ৬৬*, মাহমুদউল্লাহ ৪৩, সাব্বির ১, আরিফুল ১*; মাদুশাঙ্কা ০/৩৯, গুনাথিলাকা ১/১৬, উদানা ১/৪৫, থিসারা ১/৩৬, দনঞ্জয়া ০/৩২, জিবন ২/২১)
