বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না




আজ শনিবার গনভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং তারপর বিচারপতি, কূটনীতিক, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের নাগরিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় সেমাই, সন্দেশ আর ফল দিয়ে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ফুলের তোড়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসেন।
সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ একে একে এসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সরকারপ্রধানকে কাছে পেয়ে অনেকেই তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন এ সময়। প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শোনেন এবং সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।
শনিবার গণভবনের এই ঈদ আয়োজনে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ হবে শান্তিপূর্ণ দেশ এবং উন্নত সমৃদ্ধ দেশ। আমাদের এই মাতৃভূমি বিশ্ব দরবারে যেন মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করব।’
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছুদিন আগে বন্যা হয়েছে। সে বন্যা আমরা মোকাবেলা করেছি। নদীভাঙায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত; তাদের ঘরবাড়ি তৈরি করা থেকে সব ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। ইনশাল্লাহ, এই বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না।”
দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা এবং যারা এবার হজ করেছেন, তাদের মোবারকবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা সকলে দোয়া করবেন, উন্নয়নের পথে আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি; তা যেন অব্যাহত থাকে।”

এ ঈদের তাৎপর্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা পবিত্র ঈদুল আজহার মাধ্যমে এটাই শিখি; কীভাবে আত্মত্যাগ করা যায়।’

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং তার ফল দেশবাসী পাচ্ছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।’

জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সবাইকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।