বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলটির প্রস্তাবিত ৩১ দফার সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। রোববার (৩১ আগস্ট) বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে। আমাদের ৩১ দফার সংস্কার বাস্তবায়িত হলে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আসবে।” তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হবে।
অনুষ্ঠানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বলেন, “দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নির্বাচন বানচাল করে গণতন্ত্রকে দূরে সরানোর ষড়যন্ত্র চলছে। একটি নির্দিষ্ট দল বিএনপির সহযোগিতা নিলেও তারা আমাদের স্বাধীনতার মূল্যকে অস্বীকার করে, যারা এই ষড়যন্ত্রের অংশ।” তিনি অভিযোগ করেন, ভারত আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে এবং তাদের লোকসভায় শেখ হাসিনার প্রশংসা করা হচ্ছে।
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “জাতীয়তাবাদের পতাকার মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব হয়েছে। বিএনপি গণতন্ত্র রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিপ্লব আনবে।” তিনি বিএনপির অতীত শাসনামলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বলেন, দলটি ক্ষমতায় এলে এই খাতগুলোতে আরও উন্নতি হবে।
দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেন, “দেশের এই ক্রান্তিকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কিছু রাজনৈতিক দল সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে।” তিনি নেতাকর্মীদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

