গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪ লাখ ৩২ হাজার।
পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টা পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮ লাখ ৭২ হাজার ৬২০ জনে।
সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৭ জনের। প্রাণঘাতী এ ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন, ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৬৩ জন।
বিশ্বে একক দেশ হিসেবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্র। রোববার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ লাখ ৪২ হাজার ২২৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ জনের।
যুক্তরাষ্ট্রের পর করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্ত ও উভয় মৃত্যু উভয়- বিবেচনায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪২ হাজার ৭৯১ জনের।
মৃত্যু বিবেচনায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য, তবে আক্রান্তের দিক থেকে দেশটির অবস্থান পাঁচ নম্বরে। রোববার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪১ হাজার ৬৬২ জনের।
মৃত্যু বিবেচনায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ইউরোপের আরেক দেশ ইতালি, তবে আক্রান্ত বিবেচনায় দেশটির অবস্থান সাতে। ইতালিতে রোববার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬৫১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৪ হাজার ৩০১ জনের।
যু্ক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী মেক্সিকোতেও করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ইতোমধ্যে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। রোববার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৯০ জন আক্রান্তের বিপরীতে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৮৭২ জনের।
আক্রান্ত বিবেচনায় রাশিয়ায় মৃত্যুর হার বেশ কম। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকা দেশটিতে রোববার সকাল পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ২০ হাজার ১২৯ এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৮২৯ জনের।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আক্রান্ত বিবেচনায় বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থানে উঠে আসা ভারতে রোববার সকাল পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ৬২৬ জন। মৃত্যুর দিক দিয়ে বিশ্বে নবম স্থানে উঠে এসেছে দেশটি। দেশটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৯৯ জনের।

