তিনি মুক্তিযোদ্ধা, নতুন শিক্ষাধারার পথ প্রদর্শক। ছাত্রদের কাছে তিনি আদর্শ। তিনি আর কেউ নন, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ-এর প্রতিষ্ঠাতা, প্রফেসর মুজিব খান।
স্কুল অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ, কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ এবং ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ নিয়ে বাংলাদেশে তিন স্তর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছেন তিনিই প্রথম।
তার প্রতিষ্ঠিত সিফাদ ফাউন্ডেশন শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে। এ বিষয়ে প্রফেসর মুজিব বলেন, ‘মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটাতে চাই। শিক্ষার নামে মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে, লুটপাট চলছে। একশ্রেণীর মানুষ শিক্ষাকে ব্যবসায়িক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এ থেকে বেরিয়ে আসা দরকার।’
তার প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের আর্থিক দিক বিবেচনা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাবা-মায়ের আয়ের হিসেবে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি নির্ধারণ করা হবে।
এছাড়াও সুযোগ সুবিধামত বৃত্তির ব্যবস্থা করেন তিনি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করে তার প্রতিষ্ঠান।
ব্যক্তি হিসেবে তিনি মাটির মানুষ, মা-মাটির টানে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ থাকার পরও থেকে গেছেন দেশেই, কিছু করার জন্য। বললেন, ‘কেন পড়ে রয়েছি, আমি জানি না। তবে আমার মনে হয়েছে, যে উদ্দেশ্যে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম, তা পূরণ হয়নি। দেশের মা-মাটির জন্য কিছুই করতে পারিনি। তাই এদের নিয়ে পড়ে আছি।’
সিফাদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় পুনর্মিলনী উৎসব। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন-পুরাতন শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকমন্ডলীর এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। চলতি মাসের ৯ তারিখ আবারো হতে চলেছে পুনর্মিলনী। রেজিস্ট্রেশন চলছে, চলবে ৮ তারিখ পর্যন্ত।
