বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেওয়ার কারিগর কে? এক কথায় উঠে আসবে মাশরাফি বিন মুর্তজার নাম। ২০১৪ সালে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে একাই বদলে দিয়েছিলেন। যেই বদলে যাওয়ার ফলে এখন পাচ্ছে বাংলাদেশ।
এবারের বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতায় মাশরাফিই বাকি দলগুলোর অধিনায়কদের চেয়ে বেশ এগিয়ে। ২০০৩ বিশ্বকাপে খেলা দুইজন ক্রিকেটার খেলছেন এবারের বিশ্বকাপ। মাশরাফি তার মধ্যে একজন।
বাকি ৯ দলের অধিনায়কের মধ্যে কেউ ২০০৭ বিশ্বকাপেও খেলেনি। ইনজুরিতে পিছিয়ে পড়ার পরও যেভাবে এগিয়েছেন মাশরাফি, যা নজর কেড়েছে অনেকেরই। এছাড়া অধিনায়ক হিসেবে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, উদ্দীপ্ত করা, এসব ব্যাপার মাশরাফির নেতৃত্বগুণের পরিচয় বহন করে।
পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল পিটিভি স্পোর্টস বিশ্বকাপ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘গেম অন হ্যায়’ নামে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে অধিনায়ক মাশরাফির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক দুই ক্রিকেটার, শোয়েব আখতার ও রশিদ লতিফ।
রশিদ লতিফ বলেন, ‘ইনজুরি নিয়েও সে দলকে টেনে নিতে পারে। একতাবদ্ধ রাখতে পারে। এটা অনেক কঠিন কাজ।’
পাকিস্তানের সাবেক এই উইকেটরক্ষকের বিশ্লেষণের মধ্যেই শোয়েব বলেন, ‘আমি তো মনে করি এই বিশ্বকাপের সেরা অধিনায়ক সে (মাশরাফি)।’
মাশরাফির নেতৃত্বে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বাংলাদেশের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মনে করিয়ে দিয়ে রশিদ লতিফ বলেন, ‘অসাধারণ খেলেছে ওরা। ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছে। ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করেছে।’
মাশরাফির প্রশংসা করার আগে বাংলাদেশের দল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে শোয়েব একটা বিষয় স্মরণ করিয়ে দেন, ‘দলটির ব্যাটিং বিভাগকে ভালো করতে হবে। কারণ এটা ব্যাটিংয়ের বিশ্বকাপ।’
এছাড়াও না কথায় অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও সফলতা সম্পর্কে আলোকপাত করেন দুইজন।

