ড্র করে (১-১) সেই ১৯৯৫ সালে সোসিয়েদাদ শেষবার বার্সেলোনার বিপক্ষে হার এড়াতে পেরেছে । আজও হয়তো গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত অতিথিরা।
কিন্তু ম্যাচের ৮১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে মেসির গোল সেটা হতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত ন্যু ক্যাম্প থেকে আরও একটি পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল সোসিয়েদাদ।
ন্যু ক্যাম্পে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে শেষ ২১ ম্যাচের সব কটিতেই জিতেছে বার্সেলোনা। এর মধ্যে ১২ ম্যাচ আবার ক্লিন শিট।
লিওনেল মেসির দারুণ পাস থেকে প্রথম ১৫ মিনিটে দুটি সুযোগ আসে মার্টিন ব্রাথওয়েটের সামনে। কোনোটিই কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
৩৩তম মিনিটে প্রথম বড় পরীক্ষার সামনে পড়েন মার্ক-আন্ড্র্রে টের স্টেগেন। ছুটে এসে বল নিয়ন্ত্রণে নেন বার্সেলোনা গোলরক্ষক। একটুর জন্য নাগাল পাননি সোসিয়েদাদের পোর্তো।
৪০তম মিনিটে দারুণ সুযোগ এসে যায় মেসির সামনে। সবশেষ ৭ ম্যাচের ছয়টিতেই জালের দেখা না পাওয়া এই ফরোয়ার্ড ব্যর্থ আবারও। বিপজ্জনক জায়গা থেকে একটুর জন্য লক্ষ্যে থাকেনি তার শট।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও সুযোগ আসে মেসির সামনে। ডান পায়ের শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি অধিনায়ক। ৬০তম মিনিটে আবার গোলের জন্য শট নেন, এবারও একটুর জন্য লক্ষ্যে থাকেনি।
একের পর এক আক্রমণে সোসিয়েদাদকে কাঁপিয়ে দেয় বার্সেলোনা। ৬৫তম মিনিটে ইভান রাকিতিচের শট কর্নারের বিনিময় ঠেকান গোলরক্ষক। পরের মিনিট মেসির ক্রসে পিকে ঠিকঠাক হেড নিতে পারেননি। বিপজ্জনক জায়গায় তাকে খুঁজে পেয়েছিলেন মেসি।
৬৭তম মিনিটে আবার সুযোগ আসে রাকিতিচের সামনে। জর্দি আলবার নিচু ক্রসে একটুর জন্য পা ছোঁয়াতে পারেননি এই মিডফিল্ডার। পাল্টা আক্রমণে গিয়ে সুযোগ তৈরি করে সোসিয়েদাদও। তবে লক্ষ্য শট রাখতে পারেনি তারাও।
৮১তম মিনিটে মেসির সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মিকেল ওইয়ারসাবালের হ্যান্ডবলের জন্য ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি।
এ জয়ে ফলে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে আবারও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে বার্সেলোনা। রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৫৬ ।

