আইসিসিপ্রধান হিসেবে সৌরভ গাঙ্গুলীকেই চায় অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। যদিও বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক সংশয়ের মধ্যে আছে বলে জানা গেছে।
এমনকি সৌরভ নিজে কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সৌরভ গাঙ্গুলীকে। ভারতীয় বোর্ডকে ঠিক করতে হবে– বিশ্ব ক্রিকেটে অনেকের ইচ্ছায় সাড়া দিয়ে আইসিসির সর্বোচ্চ পদের জন্য তারা লড়বেন কিনা।
ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার বিদায়ী চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহরও একজন ভারতীয়। যদিও তার সঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের সম্পর্ক একেবারেই বন্ধুত্বপূর্ণ নয়।
ভারতীয় বোর্ডকর্তারা মনে করেন, আইসিসিতে তাদের ক্ষমতা খর্ব করেছেন মনোহরই। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ফের ভারত থেকে চেয়ারম্যান হওয়া নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই।
দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী ক্রিকেট দেশ চাইছে করোনাভাইরাস নিয়ে এমন সংকটের সময়ে শক্ত হাতে কেউ এসে হাল ধরুক।
জুলাইয়ের মধ্যেই পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচনের প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে চায় আইসিসি। তার মানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বোর্ডকর্তাদের হাতে সময় থাকছে ১৫ দিনের মতো।
আইসিসি চেয়ারম্যানের দৌড় থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন পাকিস্তানের এহসান মানি। সিঙ্গাপুরের ইমরান খাজার নাম শোনা যাচ্ছিল। এখন তার দাবিও তেমন জোরালো নয়। ইংল্যান্ডের কলিন গ্রেভস খুবই আগ্রহী। কিন্তু তার দিকেও যথেষ্ট সমর্থন নেই। অন্য কয়েকটি বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে মনে হচ্ছে– ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে উঠে আসতে পারেন নিউজ়িল্যান্ডের গ্রেগ বার্কলে।
সৌরভদের যদি মেয়াদ বাড়ে, আইসিসি চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ের চিত্রও পাল্টে যেতে পারে। তখন সৌরভের ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।একে তো তিনি নিজে ভারতীয় বোর্ড নিয়ে যতটা আগ্রহী, ততটা আইসিসি প্রধানের পদ নিয়ে নন। তার ওপর বোর্ডের শীর্ষ কর্তারাও মনে করেন– সৌরভ চলে যাওয়া মানে সফলতম অধিনায়কের মাধ্যমে চার বছর পরে তৈরি হওয়া বোর্ডের ভাবমূর্তি ফের ধাক্কা খেতে পারে।

