স্বেচ্ছায় ফিরতে চাইলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া সাত লাখ রোহিঙ্গার সবাইকে ফেরত নিতে চায় মিয়ানমার।
আজ শনিবার সিঙ্গাপুরে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাং তুন।
রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতির কারণে জাতিসংঘের ‘রেসপনসিবিলিটি টু প্রটেক্ট’ ফ্রেমওয়ার্কের প্রয়োগ দরকার হবে কি না, সে প্রশ্ন করা হয়েছিল মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে।
জবাবে থাং তুন বলেন, “আপনারা যদি তাদের ইচ্ছার ভিত্তিতে সাত লাখকে পাঠাতে পারেন, আমরা তাদের গ্রহণ করতে রাজি।”
রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মিয়ানমারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, “এটাকে কি জাতিগত নিধন বলা যায়? সেখানে কোনো যুদ্ধ হয়নি। তাই এটা যুদ্ধাপরাধ নয়। মানবতাবিরোধী অপরাধ, এটা বিবেচনায় আসতে পারে। কিন্তু আমাদের স্পষ্ট প্রমাণ দরকার। এসব গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া উচিত এবং যেনতেনভাবে এগুলো বলা ঠিক নয়।”
রাখাইনের ঘটনা নিয়ে যেসব কথা বলা হয়েছে তা ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেন মিয়ানমারের নিরাপত্তা উদেষ্টা থাং তুন।
তিনি বলেন, “মিয়ানমার এটা অস্বীকার করে না যে, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে যা প্রকাশিত হচ্ছে তা মানবিক সংকট। রাখাইনে মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোগান্তিও অস্বীকার করা হয় না। সেখানে বৌদ্ধ রাখাইন, হিন্দু ও অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীও কম ভোগান্তির শিকার হয়নি।”
তিনি বলেন, তদন্তে সেনা সদস্যদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চার লাখের মতো মানুষ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। এর মধ্যে গতবছর ২৫ অগাস্ট রাখাইনে নতুন করে সেনাবাহিনীর দমন অভিযান শুরুর পর সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে এসেছে আরও সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা।
জবাবে থাং তুন বলেন, “আপনারা যদি তাদের ইচ্ছার ভিত্তিতে সাত লাখকে পাঠাতে পারেন, আমরা তাদের গ্রহণ করতে রাজি।”
রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মিয়ানমারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, “এটাকে কি জাতিগত নিধন বলা যায়? সেখানে কোনো যুদ্ধ হয়নি। তাই এটা যুদ্ধাপরাধ নয়। মানবতাবিরোধী অপরাধ, এটা বিবেচনায় আসতে পারে। কিন্তু আমাদের স্পষ্ট প্রমাণ দরকার। এসব গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া উচিত এবং যেনতেনভাবে এগুলো বলা ঠিক নয়।”
রাখাইনের ঘটনা নিয়ে যেসব কথা বলা হয়েছে তা ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেন মিয়ানমারের নিরাপত্তা উদেষ্টা থাং তুন।
তিনি বলেন, “মিয়ানমার এটা অস্বীকার করে না যে, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে যা প্রকাশিত হচ্ছে তা মানবিক সংকট। রাখাইনে মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোগান্তিও অস্বীকার করা হয় না। সেখানে বৌদ্ধ রাখাইন, হিন্দু ও অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীও কম ভোগান্তির শিকার হয়নি।”
তিনি বলেন, তদন্তে সেনা সদস্যদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চার লাখের মতো মানুষ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। এর মধ্যে গতবছর ২৫ অগাস্ট রাখাইনে নতুন করে সেনাবাহিনীর দমন অভিযান শুরুর পর সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে এসেছে আরও সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা।
আরও পড়ুন; রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে সাধ্যমত চেষ্টা করবে তুরস্ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার প্রস্তাব জাপানের
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতা করবে চীন
রোহিঙ্গা সংকট: সু চির সঙ্গে ট্রুডোর বৈঠক
রোহিঙ্গা সংকট: বছরে লাগবে সাত হাজার কোটি টাকা
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চারটি শর্ত দিয়েছে মিয়ানমার
সোমবার থেকে ফের রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা শুরু
রোহিঙ্গা সংকট: মিয়ানমারে ফিরতে চায় ৭৮% রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা সংকট: হত্যা করা হয়েছে ৬,৭০০ রোহিঙ্গাকে
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতা করবে চীন
রোহিঙ্গা সংকট: সু চির সঙ্গে ট্রুডোর বৈঠক
রোহিঙ্গা সংকট: বছরে লাগবে সাত হাজার কোটি টাকা
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চারটি শর্ত দিয়েছে মিয়ানমার
সোমবার থেকে ফের রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা শুরু
রোহিঙ্গা সংকট: মিয়ানমারে ফিরতে চায় ৭৮% রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা সংকট: হত্যা করা হয়েছে ৬,৭০০ রোহিঙ্গাকে
