সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন-ফ্রান্সের আক্রমণ



সিরিয়ায় বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত সর্বশেষ শহর দৌমায় ‘রাসায়নিক হামলা’র জন্য বাশার আল আসাদের বাহিনীকে দায়ী করে দেশটির সরকার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন স্থাপনায় একযোগে আক্রমণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স।
আজ শনিবার প্রথম প্রহরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজ থেকে এই আক্রমণ শুরুর ঘোষণা দেন, যার হুঁশিয়ারি তিনি আগেই দিয়ে রেখেছিলেন। ঘোষণার পরপরই সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে বড় ধরনের বিস্কোরণের শব্দ পাওয়া যায়।
ট্রাম্প বলেছেন, আসাদ সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ না করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এ ধরনের প্রতিক্রিয়া বজায় রাখার প্রস্তুতি আছে তার।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁও সিরিয়ায় একযোগে হামলার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। মে বলেছেন, সিরিয়ায় হামলা না চালিয়ে যুক্তরাজ্যের উপায় ছিল না।
নিরাপত্তা পরিষদের তিন স্থায়ী সদস্যের চালানো যৌথ এ হামলা ‘ব্যর্থ’ হয়েছে বলে দাবি করেছে সিরিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম। একে ‘আন্তর্জাতিক আইনের চরম লংঘন’ হিসেবেও অভিহিত করেছে তারা।
২০১৫ সাল থেকে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে আসাদবাহিনীকে সমর্থন দিয়ে আসা রাশিয়া হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আর তার পশ্চিমা মিত্রদের এই পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে সিরিয়ায় গত সাত বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ট্রাম্পের হামলার ঘোষণার পর রয়টার্সকে এক প্রত্যক্ষদর্শী দামেস্কে অন্তত ছয়টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা ও আকাশে ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার কথা জানান।