সেমিফাইনালে উঠল ক্রোয়েশিয়া – ইংল্যান্ড



প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল সুইডেন। কেইনদের ম্যাচ থাকলেই স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে সুর ওঠে ‘ইটস কামিং হোম’ কোরাসের। এটুকু ইংল্যান্ড ফুটবল দলের জন্য ‘থ্রি লায়নস’ গানের চরণ। ১৯৯৬ ইউরো টুর্নামেন্টে সাউথগেটদের সৌভাগ্য কামনা করে গানটি বেঁধেছিল লাইটনিংস সিডস ব্যান্ড। ২২ বছর পর সেই গানের সার্থকতা প্রমাণের পথে রয়েছেন কেইনরা।
সর্বশেষ ১৯৯০ সালে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল গ্যারি লিনেকারদের ইংল্যান্ড। ২৮ বছর পর সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনার কাজটুকু সেরেছেন দুই তরুণ হ্যারি ম্যাগুয়ার (২৫ বছর) ও ডেলে আলি (২২ বছর)।
ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় গোলটি করে আলি কিন্তু উঠে এসেছেন ইংলিশ ইতিহাসে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে মাইকেল ওয়েনের পর ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় (২২ বছর ৮৭ দিন) সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে গোল করলেন আলি।
সুইডেনের বিপক্ষে এ ম্যাচে দুটি গোলই এসেছে হেড থেকে। এই বিশ্বকাপে বাকি দলগুলোর চেয়ে ইংল্যান্ড মাথা দিয়েই বেশি গোল করেছে। ১১ গোলের মধ্যে ৫টি গোলই তাঁরা করেছে হেড থেকে। ‘সেটপিস’ অর্থাৎ ‘ডেড বল’ পরিস্থিতি থেকে এসেছে ৮ গোল। যা ইংল্যান্ডের করা মোট গোলের ৮০ শতাংশ। যেকোনো দলের থেকে তারা দুটি গোল বেশি করেছে ‘সেটপিস’ থেকে। ফ্রিকিক কিংবা কর্নারে এই ইংল্যান্ড কতটুকু ভয়ংকর, তা এই পরিসংখ্যান থেকেই পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যাবে তাদের প্রতিপক্ষ দল।

অন্যদিকে দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক রাশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াই। ম্যাচে যতটুকু আশা করেছিলেন দর্শকেরা, তার সবই হয়তো পেয়েছেন। গোল, পাল্টা গোলে সমতা ও সব শেষে টাইব্রেকারে ম্যাচের নিষ্পত্তি। যেখানে পরাজিত দল রাশিয়াও গর্ব করে বলতে পারে—এমন বিদায়েও পাওয়ার আছে অনেক কিছু।
রাশিয়া-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচটি ফিরিয়ে নিয়ে গেল শেষ ষোলোর সেই দু দলের ম্যাচেই। যেখানে স্পেনকে টাইব্রেকারে হারিয়েছিল রাশিয়া। আর ক্রোয়েশিয়া হারিয়েছিল ডেনমার্ককে। শেষ ষোলোতে টাইব্রেকার ভাগ্য জিতে আসা দল দুটির মধ্যে আজ একটি দলের বিদায় নিশ্চিত ছিল। নিয়তির বিদায় ভর করল স্বাগতিকদের ওপর।
আরও পড়ুন;

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা অনিশ্চিত

ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন

রুশ নারীদের পটানোর নির্দেশনা দিয়েছে আর্জেন্টিনা

সেমিফাইনালেই আর্জেন্টিনার প্রাপ্তি!