এবার দেশে করোনা শনাক্তের জন্য ১০ লাখ কিট আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সেইসাথে এই মাস থেকেই ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন আরটিএ- পিসিআর ল্যাবে প্রতিদিন ৫ হাজার পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের দায়িত্বশীল একটি সূত্র।
জানা যায় কিট আমদানির বিষয়ে ইতোমধ্যে চীনসহ অন্যান্য দেশের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে চীন থেকে আনলেও ভবিষ্যতে অন্য দেশ থেকেও আনা হবে।
সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী সংক্রমণ প্রতিরোধে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় অধিক জনসংখ্যা সম্বলিত দেশ হিসেবে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণেই আছে।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) হাতেগোনা খুবই অল্প সংখ্যক নমুনা পরীক্ষা করা হতো। নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সারাদেশে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ২৩টি আরটিএ-পিসিআর ল্যাব স্থাপন ও নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, চলতি মাসের মধ্যে আরও পাঁচটি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা শুরু হবে।
অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৩ হাজার ১১৩টি। বর্তমানে কিট মজুত রয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, ১০ লাখ নমুনা কিট আমদানি ও দৈনিক পাঁচ হাজার নমুনা পরীক্ষার পাশাপাশি করোনা রোগী শনাক্ত এবং তাদের চিকিৎসা নিশ্চিতে রাজধানীসহ সারাদেশে হাসপাতাল প্রস্তুত করা হচ্ছে। চিকিৎসক-নার্স টেকনোলজিস্টসহ সকলে মিলে করোনা রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ চলছে।
এ সময় তিনি সকলকে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আহ্বান জানান।

