২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ে করেন ঢাকাই ছবির তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। সেই সংসারে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। আইজান জন্মানোই যেন কাল হলো শাবনূরের।
বনিবনা না হওয়ায় গত ২৬ জানুয়ারি অনিককে তালাক দিয়েছেন শাবনূর। নায়িকার সই করা নোটিশটি এডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে গত ৪ ফেব্রুয়ারি অনিকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসার ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।
শাবনূরের পাঠানো তালাক নোটিশের অনুলিপি তার স্বামী অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে। এই তালাক নোটিশে সাক্ষী রয়েছেন মো. নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামে দুজন।
আইনগতভাবে ৯০ দিন পর তাদের এই তালাক কার্যকর হবে। এদিকে ডিভোর্সের ব্যাপারটি সত্য বলে নিশ্চিত করেছেন শাবনূর নিজেই। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে অস্ট্রেলিয়া থেকে একটি সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন তিনি।
ডিভোর্সের সত্যতা নিশ্চিত করে শাবনুর বলেন, হ্যা, আমি ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছি অনিককে। আসলে আমার কিছুই করার নেই। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আইজান জন্মানোর পর থেকেই আসলে আমাদের সম্পর্কটা নষ্ট হয়ে গেছে।
আইজান পৃথিবীতে আসার পরপরই বদলে যেতে থাকে অনিক। স্বামী হিসেবে তার দায়িত্বহীনতা ও সংসারের প্রতি উদাসীনতা আমাকে হতাশ করতে লাগলো। তার মধ্যে নানা পরিবর্তন লক্ষ করলাম।
প্রায় ছয়টা বছর নিরবে তার অত্যাচার সহ্য করেছি। চেয়েছি সংসারটা আগলে রাখবো কিন্তু পারিনি। অনেক আগে থেকেই আমরা আলাদা থাকছি। দফায় দফায় বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। বাধ্য হয়েই ২৬ জানুয়ারি অনিককে ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়েছি।

