অবশেষে রফতানি শুরু বেনাপোল বন্দর দিয়ে


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24

করোনা সংক্রমণের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া বেনাপোল বন্দর অবশেষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে আমদানিতে রাজি হয়েছে ভারতীয় পক্ষ। এর ফলে দুই দেশের বাণিজ্য আবারও শুরু হয়েছে আজ রবিবার (৫ জুলাই)।

এদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় বেনাপোলে রফতানির জন্য দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে রফতানির উদ্দেশে প্রবেশ শুরু করে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রফতানি শুরু হলো।

বন্দরের একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় পক্ষ করোনাভাইরাসের কারণে নিরাপত্তা ইস্যু দেখিয়ে বাংলাদেশি পণ্য গ্রহণ করছিল না। ফলে তাদের একচেটিয়া বাণিজ্য চলছিল। আর বাংলাদেশি রফতানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। অবশেষে তারা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পণ্য পাঠাতে বলেন।

বেনাপোল বন্দরের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিস্তার রোধে ভারত সরকারের দেওয়া একের পর এক লকডাউনের কারণে গত ২২ মার্চ থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও উভয় দেশের বন্দর কর্তৃপক্ষ দফায় দফায় বৈঠক করে একপর্যায়ে গত ৭ জুন থেকে আমদানি বাণিজ্য সচল করলেও ভারত বাংলাদেশ থেকে রফতানি পণ্য নিতে রাজি হচ্ছিল না। শুরুর দিকে ভারতের একতরফা বাণিজ্য মেনে নিলেও টানা দেড় সপ্তাহও ভারতের আমদানি পণ্যের ব্যাপারে আগ্রহ না দেখে বিষয়টা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশি রফতানিকারকরা।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, ভারত আমদানি পণ্য দিলেও তারা বাংলাদেশি রফতানি পণ্য গ্রহণ করছিল না। যার জন্য রফতানিকারকরা ভারত থেকে আসা আমদানি বাণিজ্য গত ১ জুলাই সকাল থেকে বন্ধের ঘোষণা দেয়। আলাপ আলোচনা করে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর আজ থেকে ভারত বাংলাদেশি রফতানি পণ্য নিচ্ছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, যে সমস্ত বাংলাদেশি ট্রাকচালকরা রফতানি পণ্য নিয়ে ভারতে যান তাদের দ্বারা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় ভারত এতদিন বাংলাদেশ থেকে রফতানি পণ্য নেয়নি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশি রফতানিকারকরা পণ্য দিতে চাইলে তারা তাতে রাজি হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।