অবৈধ গাড়ি ও চালকের তথ্য চেয়েছে হাইকোর্ট


চিকিৎসা বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্ট রুলের জবাব চান ৪ সপ্তাহের মধ্যে
হাইকোর্ট


আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সারা বাংলাদেশের ফিটনেস-নিবন্ধনহীন গাড়ি এবং লাইসেন্সহীন চালকের তথ্য জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এই আদেশ দেয়।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান, পুলিশ মহাপরিদর্শক, ঢাকার ট্রাফিক পুলিশের উত্তর ও দক্ষিণের ডিসি ও বিআরটিএর সড়ক নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক মাহবুব-ই-রাব্বানীকে নির্ধারিত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ঐ দিন আদালতেও যেতে হবে বিআরটিএ কর্মকর্তা রাব্বানীকে; কতগুলো যানবাহনের নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা আছে, কেন যথাসময়ে নবায়ন করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে তাকে।

ফিটনেস, নিবন্ধনহীন যান চলাচল ও লাইসেন্স ছাড়া যান চালানো বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জীবন ও ব্যক্তির বাঁচার অধিকার রক্ষায় মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ -এর বিধান বাস্তবায়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশ প্রধান, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, ঢাকা ট্র্যাফিক পুলিশের (উত্তর ও দক্ষিণ) ডিসি, বিআরটিএ সড়ক নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বেসরকারি হিসাবে বাংলাদেশে নিবন্ধিত ৩৮ লাখ যানবাহনের বিপরীতে লাইসেন্সধারী চালক রয়েছেন ২০ লাখ।