খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, সরকার খাদ্য ব্যবস্থাপনা স্মার্ট করতে কাজ শুরু করেছে। অ্যাপের মাধ্যমে মিলারদের চালের ক্রয় বিক্রয় ও মজুত পরিস্থিতি মনিটরিং করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ দ্রব্যমূল্য সহনশীল করতে হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারেও এক নম্বর এজেন্ডা এটি। আমরা চালের মূল্য সহনশীল করতে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, মিল-লাইসেন্স নেই এমন জায়গায়ও অবৈধ মজুত পাওয়া যাচ্ছে। দাম বাড়ানোর জন্য মিলমালিক, আড়তদার, পাইকারি-খুচরা ব্যবসায়ী ও করপোরেট কোম্পানি- সবারই কিছু না কিছু দায় রয়েছে।
সরকার লোন দিচ্ছে, বিদ্যুৎ দিচ্ছে এরপরও কেন মিলগুলো রুগ্ন হচ্ছে কীভাবে মিল মালিকদের এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, লোন নিয়ে যদি অন্য কোথাও লগ্নি করেন তাহলে মিল তো রুগ্ন হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় ধানের জাতের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করতে সম্মত হয়েছে। এটি হলে মিল গেটে বস্তার গায়ে মিলারদের দায়িত্ব হবে চালের যৌক্তিক দাম লেখা। আমরা নতুন আইনও করছি, শিগগির তা বাস্তবায়ন হবে।
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের হুইপ মো. ইকবালুর রহিম, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন ও খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আরও পড়ুনঃ “অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে”

