দুর্নীতির দায়ে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হওয়া পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে রাষ্ট্রীয় পদে আজীবন অযোগ্য ঘোষণা করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।
শুক্রবার প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে এই রায় দিয়ে নওয়াজের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ নিয়ে সৃষ্ট অস্পষ্টতা দূর করেন।
পাকিস্তানের দ্য ডন অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আজকের রায়টি ঐতিহাসিক। এই রায় দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেবে।
দেশটির সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে আজকের রায়টি দিয়েছেন।
রায়ে আদালত বলেছেন, নওয়াজ শরিফ নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা পার্লামেন্টের সদস্য হতে পারবেন না। প্রধান বিচারপতি বলেন, “জনগণ সৎ চরিত্রের নেতা পাওয়ার দাবিদার।”
পানামা পেপারস কেলেঙ্কারির জেরে গত বছরের জুলাইয়ে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট নওয়াজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করেন। রায়ের পর নওয়াজ শরিফ পদত্যাগ করেন।
গত বছর রায়ের পর নওয়াজ শরিফের সব শেষ হয়ে যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছিলেন তাঁর মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ। তিনি বলেছিলেন, নওয়াজ শরিফের জন্য ২০১৮ সালে আরও বড় বিজয়ের দুয়ার খুলে দিল। তিনি অপ্রতিরোধ্য হবেন।
রাষ্ট্রীয় পদে ৬৭ বছর বয়সী নওয়াজ শরিফের অযোগ্যতা আজীবনের জন্য, নাকি নির্দিষ্ট কোনো সময়ের জন্য, সে বিষয়ে একধরনের অস্পষ্টতা ছিল। কিন্তু আজ দেশটির সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিলেন, তাতে নওয়াজ শরিফের ক্ষমতায় ফেরার আশা সারা জীবনের জন্য শেষ হয়ে গেল।
পাকিস্তানের দ্য ডন অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আজকের রায়টি ঐতিহাসিক। এই রায় দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেবে।
দেশটির সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে আজকের রায়টি দিয়েছেন।
রায়ে আদালত বলেছেন, নওয়াজ শরিফ নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা পার্লামেন্টের সদস্য হতে পারবেন না। প্রধান বিচারপতি বলেন, “জনগণ সৎ চরিত্রের নেতা পাওয়ার দাবিদার।”
পানামা পেপারস কেলেঙ্কারির জেরে গত বছরের জুলাইয়ে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট নওয়াজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করেন। রায়ের পর নওয়াজ শরিফ পদত্যাগ করেন।
গত বছর রায়ের পর নওয়াজ শরিফের সব শেষ হয়ে যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছিলেন তাঁর মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ। তিনি বলেছিলেন, নওয়াজ শরিফের জন্য ২০১৮ সালে আরও বড় বিজয়ের দুয়ার খুলে দিল। তিনি অপ্রতিরোধ্য হবেন।
রাষ্ট্রীয় পদে ৬৭ বছর বয়সী নওয়াজ শরিফের অযোগ্যতা আজীবনের জন্য, নাকি নির্দিষ্ট কোনো সময়ের জন্য, সে বিষয়ে একধরনের অস্পষ্টতা ছিল। কিন্তু আজ দেশটির সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিলেন, তাতে নওয়াজ শরিফের ক্ষমতায় ফেরার আশা সারা জীবনের জন্য শেষ হয়ে গেল।
