দিনের শেষ বেলায় এসে বিদায় নিয়েছেন ক্রেগ আরভিন। একাই লড়েছেন, অধিনায়ক হিসেবে সামনে থাকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১০৭ রান করে আউট হয়েছেন নাঈম হাসানের বলে বোল্ড হয়ে।
বাংলাদেশ দলের হয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন তরুণ অফ স্পিনার নাঈম হাসান। একাই সফরকারীদের চারজনকে ফেরত পাঠিয়েছেন। বাকি দুই উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন আবু জায়েদ রাহি।
প্রথম দিন শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২২৬ রান।
আরভিনের পর মাসভরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন। এছাড়া বলার মতো স্কোর কেউ করতে পারেননি।
শুরুতেই জিম্বাবুয়ের ৮ রানে প্রথম উইকেট নেই। সেখান থেকে প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতিতে শেষে সেই এক উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৮০ রান জমা করেছিল সফরকারী জিম্বাবুয়ে।
প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দিয়ে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বেশ ভালো মতোই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওপেনার প্রিন্স মাসভরে ও অধিনায়ক ক্রেগ আরভিন।
লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে সমান তালে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন আরভিন-মাসভরে জুটি। শত রান পেরোনো জুটি ভেঙেছে ১০২ রানে।
দলীয় ১১১ রানে প্রিন্স মাসভরেকে আউট করে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি আনেন তরুণ অফ স্পিনার নাঈম ইসলাম। এরপর ফেরান অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলরকেও।
মাসভরে ৬৪ ও টেইলর ১০ রানে আউট হয়েছেন।
১৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চা বিরতিতে যায় সফরকারী দল। বিরতি থেকে ফিরে নাঈমের শিকার হয়ে ফেরেন সিকান্দার রাজা (১৮) ও মারুমাকে (৭)। ফেরান রাহি।
দিনের শেষ উইকেট হিসেবে আউট হয়েছেন অধিনায়ক আরভিন।
এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দলে থাকলেও একাদশে সুযোগ হয়নি পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের। আগের টেস্টে খেলা মাহমুদউল্লাহ ও রুবেল হোসেন স্কোয়াডেই নেই। তাদের জায়গায় একাদশে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম ও তরুণ অফ স্পিনার নাঈম হাসান।
জিম্বাবুয়ের হয়ে টেস্ট অভিষেক হচ্ছে পেসার চার্ল্টন টিশুমা। একাদশে ফিরেছেন আইন্সলে এনডিলোভু।

