আজ বুধবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে মেট্রোরেল কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন যে, ইফতার নিয়ে আপত্তি থাকলে, খালেদা জিয়ার কষ্ট হলে এ ব্যাপারে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় তিনি জানান, ইফতার নিয়ে রাজনীতি হবে, এটা প্রত্যাশা করা যায় না।
এছাড়াও তিনি আরও বলেন, রমজান মাসে ইফতার একটা ধর্মীয় বিষয়। ইফতারে খুব বেশি টাকার সামগ্রী মানুষ ব্যবহার করে বলে আমার জানা নেই। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ইফতার জেলকোড অনুযায়ী দেওয়া হচ্ছে। এখন জেলে থাকলে তো জেল কোড মেনে নিতে হবে। সে আমরা যে-ই হই না কেন। খালেদা জিয়া কয়েদি সুবিধা ও অসুবিধা জেল কোড অনুযায়ী পাবেন। এই ব্যবস্থা অনেক আগে থেকেই চালু, জেল যখন থেকে শুরু হয়েছে। তখন থেকেই জেল কোড অনুযায়ী রোজা ও ইফতার হচ্ছে। এটা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে না। রাজনীতি হতে পারে না।
এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের উদ্দেশে বলেন যে, আমি তারপরও বলি, এই ৩০ টাকার ইফতার খেতে খালেদা জিয়া যদি অসন্তুষ্ট হন, তার চাহিদার তুলনায় একেবারেই কম হয়, তাহলে আমরা কর্তৃপক্ষকে বলতে পারি। তার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা করতে। এটা নিয়ে রাজনীতি ও বিতর্ক করার কিছু নেই বলেও জানান তিনি।
সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী আরও জানান, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছর ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে মেট্রোরেল চালু হবে।
তিনি আরও বলেন, এ বছরের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ শেষ হবে। আর মেট্রোরেলের মতিঝিল পর্যন্ত কাজ শেষ করতে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। এর বাইরেও আরও কিছু কাজ আছে। তিনি বলেন, ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে সম্পূর্ণ রুটের ট্রায়াল রান শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে দেশের প্রথম মেট্রোরেল।
এছাড়াও, সব মিলিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ছয়টি মেট্রোরেল রুট চালু হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

