উপ-নির্বাচন: ভোটে অনিয়ম করলেই লাখ টাকা জরিমানা


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

আসন্ন ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনী অনিয়ম করলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। ‘নির্বাচনী তদন্ত কমিটি’ গঠনের পর একটি পরিপত্র জারি করে এমন নির্দেশনা দিয়েছে ভোট আয়োজনকারী আধাবিচারিক সংস্থাটি।

ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব বিপ্লব দেবনাথ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে- কোনো প্রার্থীকে অন্য কোনো প্রার্থী বা ব্যক্তি ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, বল প্রয়োগ করলে অথবা মিথ্যা বিবৃতি প্রচার করলে তা তদন্ত করবে নির্বাচনী তদন্ত কমিটি।

এরইমধ্যে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ উৎপল ভট্টাচার্য এবং সহকারী জজ জহিরুল আলমকে নিয়ে নির্বাচনী তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গাইবান্ধার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. রেজাউল করিম এবং সহকারী জজ মো. নূরুল হককে নিয়ে গঠন করা হয়েছে গাইবান্ধা-৩ আসনের উপ-নির্বাচনের নির্বাচনী তদন্ত কমিটি। আর বাগেরহাট-৪ আসনের নির্বাচনের জন্য বাগেরহাটের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহীনুর রহমান এবং সহকারী জজ লস্কার সোহেল রানাকে নিয়ে নির্বাচনী তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটি প্রতি ঘটনার তদন্ত করে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়ে আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে অনুরোধ করবে। কমিশন সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত দেবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা দলকে তাৎক্ষণিক প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবে কমিটি।

আর নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও দলকে সর্বনিন্ম ২০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। নির্বাচনী তদন্ত কমিটির যে কোনো কার্যক্রম দণ্ডিবিধির ১৯৩ ও ২২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে। আর দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের, যে কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত ও শপথপূর্বক তাকে পরীক্ষা এবং দলিল দস্তাবেজ উপস্থাপনের নির্দেশও দিতে পারবে তদন্ত কমিটি।

এছাড়াও তদন্ত পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিটি যে কোনো ব্যক্তিকে তার সামনে উপস্থিত হতে এবং শপথপূর্বক সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য নির্দেশ করতে পারবে। তদন্ত কমিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ পর্যন্ত সময়ে যে কোনো অপরাধ আমলে নেবে।

প্রসঙ্গত, আগামী ২১ মার্চ তিন আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। তিন আসনের মধ্যে ঢাকার-১০ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।