রাজধানীর বনানীর বহুতল ভবন এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের সংখ্যা নিয়ে চলছে অস্পষ্টতা। প্রথমে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের ২৫ উল্লেখ করেছিল ফায়ার সার্ভিস। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তা ১৯-এ নামিয়ে আনে সংস্থাটি।
ইতোমধ্যে ১৮ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ১৮ জনের মধ্যে কেবল একজনের লাশের ময়নাতদন্ত হয়েছে। স্বজনদের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই বাকিদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
গতকাল রাত ১১টা ০৫ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলে স্থাপিত ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃতের সংখ্যা ২৫। সংবাদকর্মীরা তৎক্ষণাৎ সেই সংবাদ প্রকাশও করেন।
কিন্তু ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খুরশিদ আলম মৃতের সংখ্যা কমিয়ে দেন। তখন জানানো হয়, মৃতের সংখ্যা ১৯।
খুরশিদ আলম বলেন, একই লাশ দুবার করে গণনা হওয়ার কারণে এমন বিভ্রান্তি হয়েছে। সংখ্যাটা আসলে ১৯ হবে, ২৫ নয়।
কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের ২২ তলা ওই ভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে আগুন লাগার পর প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টার চেষ্টায় তা পুরোপুরি নেভাতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট।
তবে ঠিক কতজন ওই ঘটনায় মারা গেছে, সেই তথ্য শুক্রবার সকাল পর্যন্ত স্পষ্ট হয়নি। ফায়ার ব্রিগেডের হিসাবে এই সংখ্যা ১৯। আর পুলিশ বলছে ২৫ জনের কথা।
তাদের মৃত্যু হয়েছে আগুনে পুড়ে, ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে এবং বাঁচার চেষ্টায় ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে। তবে অধিকাংশ মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তর হওয়ায় কীভাবে কয়জনের মৃত্যু হয়েছে সেই হিসাব পাওয়াও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

