করোনায় ছেলের মৃত্যুর পর একই উপসর্গে মারা গেলেন বাবা-মা


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ছেলের মৃত্যু হয়েছে আগেই। এবার করোনা উপসর্গে মারা গেলেন বাবা-মা। জানা যায়, গত ১৯ মে নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয় ঢাকা ফেরত মানিক সরকারের। এরপর ২৮ মে করোনা উপসর্গে মারা যান তার বাবা বাচ্চু সরকার (৮০) ও (৩০ মে) মারা যান মা ফজিলুতুন্নেছা (৬৫) সরকার।

মৃত মজিবুর রহমান বাচ্চু সরকার কচুয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ছিলেন। তাদের বাড়ি কচুয়া উপজেলার গোহাট উত্তর ইউনিয়নের পালগিরী গ্রামে।

কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দফতর সম্পাদক কবির হোসেন জানান, মানিকের মা-বাবা গ্রামের বাড়িতে থাকতেন। করোনা সংক্রমণ-রোধে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পর মানিক স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গ্রামে এসে দু’মাস বাড়িতে থাকেন।

এরপর অফিস থেকে ফোন দেওয়ার পর তিনি ঢাকা যান। পরিবারের অন্যরা বাড়িতেই ছিলেন। ঢাকায় অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়িতে নিয়ে আসার দু’দিন পর তার মৃত্যু হয়। সাত দিন পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে তার বাবা মজিবুর রহমান মারা যান। আর ১০ দিনের মাথায় শনিবার (৩০ মে) মারা গেলেন তার মা।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সালাহ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, মৃত মানিক সরকার ঢাকার একটি গার্মেন্ট কারখানায় চাকরি করতেন। প্রথমে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। তবে তার মৃত্যুর পর আমরা খবর পেয়ে নমুনা সংগ্রহ করি। তাদের বাড়ি লকডাউন করি। সেই সঙ্গে তার বাবা-মাসহ পরিবারের অন্যদের বলা হয়েছিল, যদি তাদের কোনও উপসর্গ দেখা দেয় তারা যেন বিষয়টি জানান।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, তার মা-বাবা সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। তাদের কোনও উপসর্গ ছিল না। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ পড়ার পর তার বাবা মারা যান। এরপর আমরা খবর পেয়ে মৃত ব্যক্তি এবং তার স্ত্রীর নমুনা সংগ্রহ করি। তাদের রিপোর্ট এখনও আসেনি।

ডা. সালাহ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, শনিবার সকালে আবার খবর পেলাম ফজিলাতুন্নেছার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। এরপর আমরা তাকে চাঁদপুর নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেই। কিন্তু তারা ঢাকা নিয়ে যাওয়ার কথা বললে উপজেলা থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা পাঠানো হয়। পথিমধ্যে তিনিও মারা যান।