প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস দিনকে দিন মানুষের জীবনকে স্থবির করে তুলছে। সারা বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৫টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৬১৮ জন। সেইসাথে এই ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৮২ জনের।
বর্তমান পরিস্থিতিতে গৃহবন্দি কয়েকশো কোটি মানুষ। পুরো বিশ্বে থমকে ব্যবসাবাণিজ্য। সাড়ে ১৭ লক্ষ লোক সংক্রমিত। সব চেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ইউরোপের, বিশেষ করে ইতালি, স্পেন, ফ্রান্সের। এছাড়াও করোনায় সব চেয়ে বিপর্যস্ত আমেরিকার নিউ ইয়র্ক।
সেখানকার হার্ট আইল্যান্ডে এখন চলছে গণকবর তৈরির কাজ। মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে, অথচ মর্গে দেহ রাখার জায়গা নেই।
এছাড়াও, বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সম্প্রতি আমেরিকায় করোনা মৃত্যু ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ইতালির নাম।
এই ভাইরাসে সে দেশে আরও ৫৬৬ জনের মৃত্যুর ফলে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,৪৫৫। এ ছাড়া আরও ৩,১৫৩ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৯,৫১৬ জন।
এ দিকে, স্পেন মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭,৬২৮। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪১৯ জনের। মৃত্যু মিছিলে তারা আছে তিন নম্বরে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে।
আর ফ্রান্সে একদিনে মারা গিয়েছে ৫৭৪ জন। ফলে সে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪, ৯৬৭। পঞ্চম দেশ হিসেবে ব্রিটেনে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১,৩২৯ জন। সংক্রমণ রুখতে আগামী ১১ মে পর্যন্ত ফ্রান্সে লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
পেপার’স লাইফ/আন্তর্জাতিক

